পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/১৪৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাল ও বর্জিনিয়া । ף מאל “ গতরাত্রি তিনটার সময়ে অনুকূল বায়ু উঠিলে, গবৰ্ণ রের ওখানথেকে এখানে একখানা পালকি আনীত্ত হইল । তদর্শনে আমি বর্জিনিয়াকে ক্রোড়ে করিয়া রোদন করিতে লাগিলাম, প্রিয়সখী মার গ্রেটও নয়ন- ' বারিতে অভিষিক্ত হইতে লাগিলেন, তথাপি তাহার। আমাদের কোল হইতে রোরুদ্যমান বর্জিনিয়াকে লইয়া পালকিতে তুলিল এবং অতিশয় সত্বরে এখান হইতে চলিয়া গেল । আমরা এখানে শোকে মৃতপ্রায় হইয়; রহিলাম।” এই কথা শুনিতে ই পাল একেবারে উচ্চস্বরে রোদন করিয়া উঠিল এৰং ৰুহিল “ হায় ২ ! যদি আমি তৎকালে উপস্থিত থাকিয়। একবার বর্জিনিয়ার সহিত দেখাসাক্ষাৎ করিয়া বিদায় দিভে পারিতাম, তাহা হইলেও অামার মনে কিঞ্চিৎ শান্তি ও মুখ জন্মিতে পারিত ! ৰিশেষতঃ তাহাকে আরো কহিতে পারিতাম যে বজিনিয়ে! আমরা বস্থকাল একত্রে কালহরণ করিয়া আসিলাম, তন্মধ্যে যদি তোমার নিকট অামার কোন ক্রটি বা অপরাধ কইয়াথাকে, ৰিনয় করিয়া কহিতেছি, অামার সে সকল অপরাধ মাৰ্জ্জনা করিয়া আমাকে চরিতার্থ করিয়া যাও । আরো বলিতাম, প্রিয়তমে ভগিনি এক্ষণে তোমায় অামায় ভ জন্মের মত ছাড়াছাড়ি হইল, অকপটহ্নদয়ে ৰলিভেড়ি তুমি যাবজ্জীবন পরমমুখে ও নিরতিশয় সচ্ছন্দে কালহরণ করিতে সমর্থ হইবে ’ । পালের মুখ হইতে এতাদৃশ বাক্য সকল শ্রবণ করিতেই মার গ্রেট ও বিবি,দিলাতুরের বক্ষঃস্থল নয়নজলে প্লাবিত হইতে লাগিল। ইহা দেখিয়া পাল