পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/১৫০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাল ও বর্জিনিয়া । אלא צ বিয়া বেড়াইতেছিল, যা২ সে একেবারে হারাইয়। গিয়াছে " । এই কথা ৰলিয়। তখন সে তথাহইতে ঐ অদূরবর্তি পৰ্ব্বতশিখরে গিয়া আরোহণ করিল। তথায় প্রতিদিন সন্ধ্যাকালে গিয়া বর্জিনিয়ার সহিত পরম মুখে সমাসীন হইয় তাহারা পরস্পর কথোপকথন করিত, ঐ পৰ্ব্বত-শিখর হইতে যে সমুদ্রে তাহার প্রাণসম বজিনিয়াকে স্থানান্তর করিয়া ছিল তাহা দেখিতে পাইয়। এককালে উচ্চৈঃস্বরে রোদন করিতে লাগিল । তাহার তাদৃশ ক্ষিপ্তত দর্শনে আমাদের বিলক্ষণ প্রতীতি হইল তাহার এই উপলক্ষে কোন আকস্মিক দুর্ঘটনা না ঘটিয়া যায় না । ইহাতে আমরা নিতান্ত আশঙ্কা প্রযুক্ত তদিবস অবধি তাহার প্রতি সাবধান হইয়া থাকিলাম । মার গ্রেট এবং বিবি দিলাতুর উভয় সখীতে তৎকালে ঐ পৰ্ব্বতসমীপস্থ হইলেন এৰং অগ্রে মার গ্রেট অতিশয় সস্নেহ ও কোমলতাৰে কহিতে লাগিলেন “বৎস পাল! আমরা তোমার ম৷ হই, অনুরোধ করিতেছি, এইরূপ করিয়া অামাদের মনে আর শোকানল বুদ্ধি করা তোমার অতি আকর্তৰ্য । স্বয়ং নৈরাশ্যাবলম্বনে বিষাদ-জ্বলন প্রজ্বলিত করিয়া আর তোমার চির দুঃখিনী জননী ও পরিবারবর্গকে স্বালাতুর করিবার আৱশ্যক নাই”। তখন বিৰি দিলাতুর বিবেচনা করিলেন আমার সান্তনা ও প্রবোখ দানেই পাল প্রকৃতিস্থ ও শান্ত হইবেক । মনেই ইহা ভাৰিয়া তিনি চাটুবচন প্রয়োগদ্বারা তাহারমনে প্রবোধ দিতে আরম্ভ করিলেন, কিন্তু পালের ভগ্ন