পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/১৭৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাল ও বর্জিনিয়া । >やNう দুঃখ হয় এমনি প্রেমময় বাক্যে সম্বোধন করিতে লাগিল । তৎকালে সে যে সকল শোক সন্তাপের কথা প্রয়োগ করিতে লাগিল, তছুঘণে ব্যক্তিমাত্রেরই প্রাণ ব্যাকুল না হইয়া যায় না। পাল তাহাকে সম্বোধিয়া কহিল “রে প্রিয়পাদপ! এক্ষণে তুমি আমীয় পরিবারে পরিব্লুত হইয়া এই বনমধ্যে বিরাজমান রহিয়াছ । আমি দৃঢ়বাক্যে কহিতে পারি, তোমাকে দেখিলে আমার মনের যত প্রসাদ এবং তৃপ্তি জন্মে, পৃথিবীর কোন অদ্ভুত বস্তু দর্শনে তাহার শতাংশের একাংশও লব্ধ হইতে পারে না । আহা ! প্রকৃতির কি মহীয়সী শক্তি ! তাহা একদিকে যেমন করাল কালস্বরূপ কর প্রসারণ করিয়া রাজ্যসম্পদ পৰ্য্যন্ত গ্রাস করিতেছে, তেমনি অন্যদিকে আবার সমধিক শ্ৰীবৃদ্ধি করিয়৷ সেই ক্ষতিটি পুরণ করিয়া দিতেছে ” । পাল, আমার কুটারের অঞ্চলে আইলেই আগে সেই খজুরগাছের তলে উপস্তিত হইত। এক দিন তাহাকে দেখিলাম, সে যাহার পর নাই শোকে ব্যাকুল হইয়। তথায় দণ্ডায়মান রহিয়াছে । ইহাতে আমি তাহার নিকটে গিয়া জিজ্ঞাসাবাদ করিতে লাগিলাম । তাহাতে সে যে২ কথায় উত্তর করল, তাহ! শুনিলে কোন ব্যক্তি ধৈর্য্য ধারণ করিতে সমর্থ ইয় মা । 聯 श्रनखद्र श्रामि उांश८क, निभश इक्वेबांद्र कfद्रन জিজ্ঞাসা করিতেছি, এমত সময়ে সে অামাকে কহিল “ মহাশয়! আর কারণ জিজ্ঞাসেন কি ? আমি মনে২ অত্যন্ত অমুখী হইয়াছি । দেখুন দেখি, দুই বৎসর