পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/১৭৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাল ও বর্জিনিয়া । ა ჯა¢ বৃদ্ধ —“পাল! তুমি বলিতেছ বটে, কিন্তু আমি বিলক্ষণ জানিতে পারিতেছি যে, ফুন্সিদেশে যেরূপ ঘর২ গলিই প্রচুর ঐশ্বৰ্য্যশালী ও মহামহিমা সম্পন্ন ব্যক্তি সকল আছেন, তাহাদিগের কাছে তোমাকে अङि शैमज्रोटलङ्गे थाकिटज्र श्ड्रे८नक । झग्न ज्र रु एक्ल२ লোকের নিকট যাইবার জন্য.তোমার পথ পাওয়াই ভার হইবেক ’ । পাল – “ মহাশয় ! এ যে আপনার মুখে এক ভূতন কথা শুনিলাম ! আপনিই ত আমার কাছে সৰ্ব্বদা বলিয়া থাকেন যে ফান্সদেশের একটা মহ সন্ত্রন এই, যে তথাকার অতি দীন হীন প্রজারাও প্রভূত ধনের ঈশ্বর হইয়া উঠিয়াছে ! বিশেষতঃ আপনি আমাকে, যাহারা হীনাবস্থায় থেকে স্বীয়দেশে এত উন্নতি পাইয়াছেন, তাহাদের কথাই সৰ্ব্বদা লওয়াইয়া থাকেন । তবে এখন প্রকারান্তর কহিয়া অামাকে প্রতারিত করিতেছেন কেন ?” । রদ্ধ —“বাপু ! আমি তোমাকে প্রতারণা করি নাই । পুৰ্ব্বে তথায় যাহা যে অবস্থায় ছিল এবং এখন যে২ রূপে তাহ। পরিবর্তিত হইয়াছে, তাহার বিষয় অামি তোমাকে যথার্থই কহিয়। অবগত করিয়াছি । এক্ষণে ফান্সের কোন ব্যক্তি আপন ২ স্বার্থছাড়া চলে না । সম্প্রতি সেখানকার সভ্যেরা রাজাকে বেষ্টন করিয়া স্বেচ্ছানুসারেই সকলের শাসনাদি কাৰ্য্য করিয়া থাকেন । তথাকার রাজা যেন ঠিক স্থৰ্য্যদেব, এবং ভোষামোদকারী অমাত্যের অৰিকল ঘনঘটা, স্বরূপ । যেমন চতুর্দিক হইতে ঘনঘটা ঘেরিয়া