পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/১৭৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাল ও বর্জিনিয়া । 〉や● পরস্তু তুমি তাহ পারিয়া উঠিৰে না । তুমি সত্ত্বাত্ত বংশের সন্তান নও বটে, কিন্তু জন্মাবধি তোমার সত্য বষ্ট কখন মিথ্য শিক্ষা হয় নাই ” । পাল ৷—“ইহা একটা কঠিন কি ? আমি ইহা পারিবই না কেন ? যে২ কৰ্ম্মে বড় সাহস প্রকাশের অাবশ্যকতা আছে, তত্ত্বাবৎ কৰ্ম্ম আমি অবলীলাক্রমে সমাধা করিব । মুখে একবার যাহা কহিব তাহ প্রা৭ান্তেও অন্যথা করিব না। আমার হাতে বেংকৰ্ম্মের ভীর অর্পিত হইবেক, তাহ উপযুক্ত সময়ে সমাধা করিতে কিছুমাত্র আলস্য করিব না । লোকের সহিত বন্ধুত্ব করিতে সৰ্ব্বপ্রযত্বে চেষ্টিত হইব। যদি কাহারে প্রতি কখন কোন সহায়তা বা অনুগ্রহ করিবার অাৰশ্যক হয়, সাধ্যানুসারে অামি তাহ বিতরণ করিতেও যত্বের ক্রটি করিব না । এমনই উপায় সকলই অবলম্বন করিতে হয়, ইহা ত আপনি আমাকে প্রাচীন ইতিহাসে পাঠ করাইয়াচেন ’ । ৰুদ্ধ —“হ২, সে কথা সকল সত্য ৰটে বাপু ! গ্রীস্ ও রোমদেশের লোকের পতনাৰস্থাতেও ধৰ্ম্মে আস্থা করিতে ক্ষণমাত্র অবহেলা করে নাই । কিন্তু বাছা ! আমি এই বয়সে অনেকই প্রকার জাতীয় মানুষ দেখিয়াছি, পৃথিবীতে তাহাদের বিদ্যা ও ধৰ্ম্মজ্ঞান সাধারণ নহে, তাহাও বিলক্ষণ জানি, তথাপি তাহারা আজি পর্যন্ত বড় লোক হইতে কখন কোন সাহায্য পাম নাই, কেবল রাজাfদগের দ্বারাই সম্মান প্রাপ্ত হইতেছেন এইমাত্র । * আমি ত তোমাকে পুৰ্ব্বেই, বলিয়া আসিয়াছি, যে প্রথমাবস্থায় ধৰ্ম্মপথে থাকিয়াই