পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/১৮৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


> १२ পাল ও বর্জিনিয়া । কার করিয়া গিয়াছে ? সত্য বটে, মহাশয়! সাধারণের উপকারার্থে কোন লেখা পড়ার আলোচনার স্থান করিয়া দিলে কিছু এত হইত না " । (এই কথা বলিড়েই তদগতভাবে পালের আনন্দসাগর একেবারে উথলিয়া উঠিল, এবং তখনি অমনি সেই খেজুর ব্লক্ষে প্রেমালিঙ্গন করিতে আর ক্ষণমাত্র কালব্যাজ করিল না)। বৃদ্ধ —মনুষ্যের পক্ষে যে কোন পুস্তকই উপকারক নহে, এ কথা কহা কিছু অামার মনোগত অভিপ্রায় নহে । কারণ কতকগুলি পুস্তক এমন আছে যে তাহ মনুষ্যের পক্ষে প্রক্লভ পনের নিদানস্বরূপ যে সকল গ্রন্থ ক্লিষ্ট ব্যক্তিকে সৎপথ প্রদর্শন করায়, বিপন্ন ও ব্যাকুলকে সান্তন করে এবং অযথাকারী দুরাত্মা রাজাৰ অবিচারকে বাধা দিতে সাহস প্রদান করে, এমন সমস্ত শাস্ত্ৰই অামাদের কল্যাণকর । যাহার। সেই সকল শাস্ত্রের প্রণেতা উiহার। ধন মান উভয়ের অাশাতে বিবজিত । ফলে যাবৎ উiহারা জীবদ্দশায় থাকেন তাবৎ তাহদের মানস স্কুম কিছুই হয় না, কিন্তু র্তাহাদের মরণের পর লোকের যখন ভস্তু ৎ প্রণীভ শাস্ত্রের গৃঢ় মৰ্ম্ম অবগত হইয়। বিশিষ্ট ফল ভাগী হইতে থাকে, তখন সেই সকল গ্রন্থকার যে কত বড় লোক ভাহা বিশ্ববিদিত হইয় উঠে । তাহারা জীবদ্দশায় রাজসন্নিধানে ও সভাসমাজে স মাদর পান না বলিয়। ক্ষণিকের জন্যেও মনঃক্ষুণ্ণ হন না । কেননা তাহারা মনে ২ বিলক্ষণ জানিতে পারেন যে আমাদের প্রণীত গ্রন্থ “সকল কালান্তরে লোকের সাতিশয় উপকারক হইবে । সুতরাং তাদৃশ জ্ঞানেতেই তাহারা সৰ্ব্বদা