পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/১৮৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


४१७ পার্ল ও বর্জিনিয়া। থাকে, ঐ সকল লোক রাজার সঙ্গে কথা কহিয়৷ আসিয়াই তাহার সহিত কথোপকথন করে । সুতরাং আমাকে মনে থাকিবার সম্ভাবনাই দেখিতে পাইন । বৃদ্ধ —“ হ ! আমি এ কথা বরং দৃঢ়বাক্যে কহিতে পারি যে বর্জিনিয়া তোমাকে এখন মনের সহিত ভালবাসে । সে যে তোমাকে ভালবাসে তাহার অনেক কারণ দেখা যাইতেছে । আদৌ उछु j যৎপরোনাস্তি আস্থা দৃষ্ট আছে এবং জন্মাবচ্ছিন্নে প্রতারণা কাহাকে বলে তাহ। তাহার স্বপ্নেও শিক্ষা হয় নাই’ । ( পাল আমার মুখ হইতে এই কথা শুনিয়া বাহুলতায় আমার গ্রীব। আলিঙ্গন করিল । ) পাল ।–“ মহাশয়! আপনি কি ইউরোপীয় নারীগণকে মিথ্যাবাদী ও প্রতারক বোপ করেন ? যে সকল কাব্য নাটকাদিতে তাহাদের বর্ণনা দেখিতে পাই, তাহাই কি তাহাদের অবিকল চরিত্র ?” । ৰুদ্ধ —“বাপু ! ইহাও জানন, ষে দেশে পুরুষের তুরাত্মা হয়, সেখানকার স্ত্রীলোকের প্রতারণা করিক্তে অবশ্যই শিক্ষা করে। দুরাত্মাদিগের হাত এড়াইবার জন্য ধুৰ্ত্ততা ও চাতুরী না করিলে, লোকে কদাচ তিষ্ঠিতে পারে না”। পাল ।–“কি বলিলেন মহাশয় , কি বলিলেন ? সেখানকার পুরুষেরা কি স্ত্রীলোকদের উপরি দৌরাত্ম্য প্রকাশ করিয়া থাকে ?’ । . ৰুদ্ধ –হঁ বাপু ! তাহার কারণ প্রবণ কর, “সেখানকার পুরুষেরা যখন পাণিগ্রহণ করেন, তখন সেই