পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/১৯১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Ꮌ Ꮏ← & পাল ও বর্জিনিয়া কিছুমাত্রই থাকে না। এক্ষণে এই উভয়ের মধ্যে তুমি কোন অবস্থা অবলম্বন-যোগ্য বলিয়া বোধ কর বল দেখি । ইহাতে যদি আমার মত জানিতে চাহ, তবে অামি এই উভয় অবস্থাকেই তুল্যরূপ আপদের কারণ বলিয়। গণনা করি । কেননা অতিশয় দারিদ্র্য ও প্রচুর ঐশ্বৰ্য উভয়ই সমান দুঃখকর, কেবল মধ্যম অবস্থা ও ধৰ্ম্মানুষ্ঠান এই উভয় যথার্থ মুখের প্রতি কারণ” । পাল ।–“মহাশয় ; তবে আপনি ধৰ্ম্ম কাহীকে বলেন ? তাহ যে বুঝিতে পারিলাম না ’ । বৃদ্ধ —“বাছা! তোমাকে আর ধৰ্ম্মের বিশেষ লক্ষণ বলিবার আবশ্যক রাখে না, সম্প্রতি একট। স্থল কথা বলি শুন । যাহারা কায়ক্লেশে আপনাদের পিতামাতার ভরণপোষণ সমাধান করিয়া থাকে তাহtদিগকেই ধাৰ্ম্মিক বল মায় । বস্তুতঃ জগৎপতির সন্তোষের উদেশে আমরা পরোপকারের জন্য যে চেষ্টা করিয়া থাকি তাহার নাম ধৰ্ম্ম ’ । পাল। —“উঃ ! বজিনিয়াকে তবে ত বড়ই ধৰ্ম্মিষ্ঠা বলিতে হইবেক ! কেৰল পরের উপকার করিবেক বলিয়াই তাহার এখন ধনের অভিলাষ হইয়াছে । ধৰ্ম্মের জন্যেই তাহাকে দেশাস্তরে যাইতে হইয়াছে, এবং ধৰ্ম্মের অনুরোধেই তাহাকে এখানে ফিরিয়৷ আসিতে হইবেক । এইরূপে বর্জিনিয়ার প্রত্যাগমনের কথা পালের মনে হইবামাত্র তাহার মুখ শ্ৰী এককালে প্রসন্ন হইয়া উঠিল, এবং মন হইতে সকল অসচ্ছন্দ এককালে কুর হইয় গেল । সে তখন মনে করিল ৰজিনিয়া