পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/২০০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাল ও বর্জিনিয়া । Σ' b- δ দাড়াইলাম । পাল উৰ্দ্ধশ্বাসে ধাবমান হইয়া আসিয়। ৰাহুদ্বয়ে আমার গ্রীব জড়িয়া ধরিল, এবং ইপিাইতেই কহিতে লাগিল “ মহাশয় ! আমুন, মহাশয় ! আমুন, বজিনিয়া আসিতেছে । কালি সকালেই জাহাজ উপকূলে আসিয়া লঙ্গর করিবেক । চলুন আমরা সকলে বন্দরে গিয়া অপেক্ষা করিয়া থাকি’ । এই কথা শুনিৰামাত্র যাইবার জন্য আমরা তখনি বাহির হইলাম। বাতাবিকুঞ্জ হইতে বন্দর পর্যন্ত পৰ্ব্বতময় পথ দিয়া যাইবার সময়ে বোধ হইল ষেন পশ্চাদ্ভাগে কোন একটা মানুষ চলিয়া আসিতেছে, ফিরিয়া দেখিলাম একজন কাফি আসিতেছে। সে নিকটে আসিবামাত্র আমরা তাহাকে জিজ্ঞাসা করিলাম তুমি কে হে! এত তাড়াতাড়ি যাইতেচ কেন ? সে উত্তর করিল “মহাশয়! এই উপদ্বীপে (স্বর্ণরেণু) নামে এক স্থান আছে, আমি এখন সেখান হইতে আসিতেছি, এ প্রদেশের গবর্ণরকে একটা অশুভ সংবাদ জা নাইবার জন্য অামাকে এত শীঘ্রই যাইতে হইতেছে । সংবাদ এই যে, একখানা ফরাসী জাহাজ আসিয়া অম্বর উপদ্বীপের ধারে লঙ্গর করিয়া রহিয়াছে । অতিশয় ঝটিকার পূর্বাবস্থা বুঝিয়া পোতস্থ লোকেরা বড় শঙ্কাকুল হইয়াছে, এবং শঙ্কাপ্রযুক্ত সেই জাহাজে কএকটা অশুভসূচক তোপধ্বনিও হইয়াছে । এখন আমি আর দাড়াইতে পারি না" । এই বলিয়া সেই কাফি অমনি উর্দ্ধশ্বাসে চলিয়াগেল । তদনন্তর আমি পালকে কহিলাম ‘‘এখন আমাদেৱ, অপে২ চলিলে আর চলিবেক না । আইস আমরা