পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/২০১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


е পাল ও বর্জিনিয়া । শীঘ্র স্বর্ণরেণুতে গিয়া আগে বর্জিনিয়ার সহিত সাক্ষাৎ করি । এখান হইতে সে স্থান সাড়ে চারি ক্রোশ পথ দূর হইবেক । এই কথ। বলিতেই এই উপদ্বীপের উত্তর দিক দিয়া যাইবার জন্য পথ অন্বেষিতে লাগিলাম । তখন আকাশমণ্ডল এমনি নিৰ্ব্বাত ও উষ্ণ হইয়া উঠিয়াছিল যে তাহ নিতান্ত অসহ । উদ্ধে দৃষ্টিপাত হওয়াতে দেখিতে পাইলাম চন্দ্রের পরিধি দুই তিনটা ঘোরাল ক্লষ্ণবর্ণ মণ্ডলে বেষ্টিত হইয়াছে । মধ্যে আকাশও একপ্রকার ভয়ঙ্কর ঘনঘটায় আচ্ছন্ন হইয়া রহিয়াছিল । “፳ বিদ্যুতের জ্যোতি ও দৃষ্টিগোচর হইতে লাগিল " ক্ষণকাল পরেই দেখিতে পাইলাম নিবিড় মেঘমাল৷ এই উপদ্বীপের ঠিক উপরি ভাগে উঠিয়া অতিশয় বেগে সমুদ্রের দিকে চলিয়। ঘাইতেছে । তখন এমনি নিস্তব্ধ যে বাতাসের কিছুমাত্রও উপলব্ধি করা যাইতেছিল না । আমরা আর খানিক দূর আগিয়া গেলাম এবং উপৰ্য্যুপরি কএকটা শব্দ শুনিয়া ৰোধ করিলাম যেন অতিদ্বরে ক্রমাগত বজুপাত হইতেছে । খানিক ক্ষণ মনোযোগ পূৰ্ব্বক শুনিতেই বোধ হইল বাজ নয়, কামানের শব্দের প্রতিধ্বনি । এ দিকে আকাশমণ্ডলের গতিক ও ভাব দেখিয়া ঝড়ের আশঙ্কায় মনঃ এককালে বিষন্ন হইয়। রহিয়াছিল, তাকাতে আবার দুর হইতে সেই ভয়ঙ্কর শব্দ সকল কর্ণকুহরে এৰিষ্ট হওয়াতে ভয়ে আমাদের হৃৎকম্প উপস্থিত হইঞ্জ । শব্দগুলি যে দূরবর্তি জাহাক্সের বিপদস্থচক কামানের শব্দ নয়, তাহাতে আর কিছুমাত্রই সন্দেহ হইল না । আধ ঘন্টার পরে আর