পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/২০৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


છે ? পাল ও বর্জিনিয়া । রীতিমত তোপ করিতে অনুমতি প্রদান করিলেন । জাহাজ হইতে সেই তোপের উত্তরস্বরূপ তোপের শব্দও শুনিতে পাওয়া গেল । শব্দানুসারে বোধ হইল জাহাজখানা বড় অধিক দূরে নাই । খানিকক্ষণ পরে একখানা বৃহৎ জাহাজের তলভাগও দৃষ্ট হইল । ঢেউ সকল প্রবল বেগে এবং কলহ শব্দে জাহাজের উভয় পাশ্ব দিয়া চলিতেছিল, তথাপি কর্ণধারের জাহাজী লোকেরদের সহিত কথা-বাৰ্ত্ত এবং খালাসীদিগের “রাজা চিরজীবী হউন, রাজা চিরজীবী হউন’ ৰলিয়া উচ্চস্বরে চীৎকার শব্দ অবলীলাক্রমেই শুন! যাইতে লাগিল । 喀 যখন বোধ হইল সেই জাহাজ খানাই সেন্টজিরান যথার্থ এবং তাঁহাতে রীতিমত তিন মিনিট অন্তর বিপদ-স্থচক কামানখানি হইতেছে তখন আমরা জ্ঞান-শূন্য-প্রায় হইলাম। উপস্থিত গবৰ্ণর কিছুদূর অন্তরে সমুদ্রতটের এক স্থানে প্রচুর অগ্নি জ্বালাইতে অনুমতি করিয়া, ডিগুিম দ্বারা এই ঘোষণা করিয়া দিলেন যে, নিকটস্থ লোকের সত্বর হইয়া এখানে তক্তা, কাচি, খালি পিঁপা প্রভৃতি অন্তঃশূন্য পদার্থ এবং আহারোপযোগি দ্রব্য সামগ্ৰী সকল আনয়ন করুক। রাজাজ্ঞা শুনিবামাত্র নিকটস্থ লোকেরা সেই সকল দ্রব্য ও পাইল প্রকৃতি অন্যান্য সামগ্ৰী আনিয়া প্রস্তুত করিল। তন্মধ্যে একজন ভূম্যধিকারী আসিয়া গবর্ণরকে কহিলেন “মহাশয় । আমরা কালি সমস্ত রাত্ৰি শুনিতে পাইয়াছি, পৰ্ব্বতের উপরিভাগে ও বনমধ্যে এক প্রকার বাভাস থাকিয়৷২ শে ২ শব্দে