পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/২১২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাল ও বর্জিনিয়া । २ ८ ४ কুলে থাকিয়া যাহারাহ দেখিতেছিল সকলেই একেবারে ব্যাকুল হইয়া চীৎকার করিয়া উঠিল “অহে নাৰিক! উহাকে রক্ষা কর, উহাকে কদাচ ছাড়িয়া যাইও ন৷ ” লোকেরা এই সকল কথা বলিতেছে এমন সময়ে দেখিতে ২ অার এক জলের হড়ক সেই স্থতির মধ্যে আসিয়া প্রবেশ করিল এবং ভয়ঙ্কর গজন করত সেই জাহাজের দিকে ধাবমান হইল। সেই উদ্ভুঙ্গতরঙ্গের উপরিভাগ কেবল ধবল ফেনরাশিময় এবং অাশ পাশ ঈষৎ ক্লষ্ণবর্ণ । তাহ দেখিলে আর ভয় রাখিবার স্থান পাওয়া যায় না । যখন সেই মৌজাটা আসিয়া প্রবিষ্ট হইল, তখন সেই অবশিষ্ট নাবিকও সেই ফেনিল তরঙ্গের উপরি ঝম্প প্রদান করিল। অগত্যা বর্জিনিয়া সেই করাল তরঙ্গগ্রাসে পতিত হওয়া বই আর কিছুমাত্র উপায় দেখিতে না পাইয়া, এক হাত পরিধেয় বসনাঞ্চলে ও এক হাত আপন বক্ষঃস্থলে রাখিয়া একান্ত নিরীহ-নয়নে উৰ্দ্ধদৃষ্টি হইয়া দণ্ডায়মান রহিল । তাহার তৎকালীন সেই অপরূপ ভাব দেখিয়া বোধ হইল, যেন কোন দেবকন্য। এই পৃথিবীর লীলা সম্বরণ করিয়া স্বৰ্গরাজ্যে প্রস্থান করিবার নিমিত্তই প্রস্তুত হইয়া রহিয়াছেন । উঃ ! সে দিন কি ভয়ঙ্কর ! উঃ সে দিম কি শোককর ! দেখিতেই একেবারেই সৰ্ব্বনাশ হইয়। গেল । বৎস-পস্থি ! ক্ষোভেব কথা, কত বলিয়া জানাইৰ । সেই সময়ে যে সকল লোক কুলে দাড়াইয়াছিল, তাহীদের অনেকে সকরুণহৃদয়ে বজিনিয়ার রক্ষা, তাহার নিকটে যাইতে উদ্যত হইল, কিন্তু তখন সেই