পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/৩৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


२b¢ পাল ও বর্জিনিয়া। একবার নয়নগোচর করিয়াছে, তাহার কি নীলনলিন দর্শনে আর অভিরুচি আছে ? । তাহার ওষ্ঠাথরের বর্ণের সঙ্গে প্রবাল মণির তুলনা দিয়া কি কোন ব্যক্তি পরিতৃপ্ত হইতে পারে? বিবেচনা কর দেখি, একে তাহার মুখখানি সহজেই সুন্দর, তাহাতে আবার এই সকল অলঙ্কারে অলস্কৃত হইয়াছিল, সুতরাং তাহ দেখিলে মন না ভুলিবার বিষয় কি? মুখে২ বর্ণনা করিয়া আমি তাহার সেই মুখশ্ৰীখানি কেমন করিয়া ব্যক্ত করিব ? তাহার চক্ষু দুটির এমনি স্বভাবসিদ্ধ মনোহর ভাব ছিল, যে তাহা তাহার কথোপকথনের সময়ে দেখিলে পর সতেজ অথচ উল্লসিত বোধ হইত । যখন সে চুপ করিয়া থাকিত, তখন তাহার দৃষ্টিটি কিছু উৰ্দ্ধ হইত, ইহা অামি বিলক্ষণ অনুভব করিয়া দেখিয়াছিলাম । তদবস্তাতে মুখ দেখিলে তাহার যে বিশিষ্ট বুদ্ধিমত্ত ছিল, তাহা সুচারুরূপেই প্রকাশ পাইত। পাল তৎকালে যৌবন-সীমায় পদার্পণ করিয়াছিল। তাহারও কিছু বিশেষ কহি শুন । তদবস্থায় তাহাকে দেখিলে সম্পূর্ণ সাহসী ও বীর-পুরুষের ন্যায় বোধ হইত। তাহার দেহ বজিনিয়ার চেয়ে দীর্ঘতর এবং বর্ণ অপেক্ষাকত মলিন । তাহার রঙ্গ মলিন হওয়ার কারণ এই যে, সে অনবরত গাত্র খুলিয়া রৌদ্রে২ বেড়াইত এবং সেই ভাবে খেত খোলার কাজ কৰ্ম্মও করিত। কখন বৃষ্টিই এক পসল তাহার উপরি দিয়া যাইত । শরীরের এইরূপ অনাদর ও অযত্ন করাতে তাহার বর্ণট একপ্রকার দেীদ্রপোড়া মলিনের মত হইয়া গিয়াছিল । পালের নাকটি ঈষৎ উন্নত ছিল ।