পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/৪২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাল ও বর্জিনিয়া । ND لا সকল অনর্থের মুল । বিবি দিলাতুরের অপরাধের কথা বলিতেছি তুমি শুনিয়া বিবেচনা কর । তিনি, যাহার সহিত মনের মিলন হইয়াছিল, তাহাকেই পতিপদে বরণ করিয়াছিলেন এইমাত্র । ইহাতেই সেই ৰুদ্ধা তাহাকে যৎপরোনাস্তি তৎ মন করেন এবং নির্দয়ভাব প্রকাশপুৰ্ব্বক তাহাকে একেবারে স্পষ্ট করিয়া কহেন যে “তুই একেবারে আমার মন হইতে গিয়াছিস্, জন্মাবচ্ছিন্নে আমি আর তোর মুখ দেখিব না, এবং তোর কখন কিছু উপকারও করিব না ’ । এই সমস্ত কারণেই বিবি দিলাতুর যুবক দিলাতুরের সঙ্গিনী হইয়া এই উপদ্বীপে আইসেন। তিনি অতিশয় ক্লেশে পড়িলেও যে সেই পিসীকে জানাইতে চাহিতেন না, তাহার প্রধান কারণ এই । কিন্তু তখন আর তাহার সে অভিমান করিলে চলিবে কেন । সন্তানের জননী হইলে কাহারো অহঙ্কার সাজে না । বিবি দিলাতুর এত দিন অহঙ্কার করিতেন শোভা পাইত, এখন তাহার কন্যার কিসে লালন পালন হয়, কিসেই বা উত্তর কালে তাহার চলিতে পারে, সেই ভাবনাই প্রধান হইয়া উঠিল । এক দিন তিনি মনে ২ বিবেচনা করিলেন, পিসী আমাকে গালিই দেউন, আর তিরস্কারই করুন, বর্জিনিয়ার জন্য একবার তাহার কাছে কিছু যাচঞা করিয়া পাঠাইতে হইবে ; নচেৎ আর অন্য কোন উপায় দেখিতে পাই না । মনে মনে এই প্রকার বিবেচনা করিয়| বিবি দিলাতুর আপন পিসীকে এই বলিয়া এক পত্র লিখিলেন যে “ আমি আপন স্বামীর সঙ্গে এই মরীচি উপদ্বীপে