পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/৫৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


88 পাল ও বর্জিনিয়া। ভোমার অভিমত তিন্ন কোন কাৰ্য্য করিতে প্রত্নত্ত হইব না । অন্তর বর্জিনিয়া ব্যস্ত স্বতন্ত হইয়া, পালকে নিকটে ডাকিয়া কহিল “ হে দেখ দাদা ! এই অনাথ স্ত্রীলোকটি আপন প্রভূর নিকট হইতে বিস্তর নিগ্ৰহ পাইয়। এখানে পলাইয়া আসিয়াছে, এবং আসিয়া অামার শরণাগত হইয়াছে । আমি উহার সঙ্গে গিয়৷ উহার প্রভূর নিকট কিছু অনুরোধ করিয়া আসিতে চাই ; তুমি আমার সঙ্গে চল ”। পাল এই কথা শুনিয়া তখনিই সম্মত হইল। অনন্তর সেই কাফিদাসীকে সঙ্গে লইয়া, পাল ও বর্জিনিয়া বহির্গত হইল । তাহারা পথ ঘাট কিছুই জানিত না, আগেই সেই মাগী যে পথ দিয়া যায়, তাহারাও সেখান দিয়া যাইতে লাগিল। মাগীও বড় পটু ছিল না। যাইতেই এমনি এক দুর্গম পথ ধরিল, যে সেখানে কেবল সোজা সোজা পৰ্ব্বত বহিয়া উঠিতে এবং কষ্টে সৃষ্টে তাহার অপর দিক দিয়া নামিতে হয়। আবার তাহার মধ্যে গহন বন, জঙ্গল, নদী, নালা, ঝরণা প্রভৃতিও পার হইতে হয় । সে জানিলে এমন পথে কদাচই যাইত না । যাহা হউক, এইরূপে তাহারা তাহার সঙ্গেই সেই সকল দুর্গম পথ উত্তীর্ণ হইয়া কৃষ্ণানদীর উপকুলে উপস্থিত হইল, এবং দেখিল, তথায় এক অপূৰ্ব্ব অট্টালিক, ফল ফুলে মুশোভিত গুরুসমূহে পরিরত হইয়া সাতিশয় শোভা পাইতেছে । আর ঐ সকল স্থানের চতুঃসীমার ক্ষেত্র সকল বিবিধ প্রকার শস্যসমুহে বিকসিত’হইয়া রহিয়াছে; অপর সেই সকল