পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/৫৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাল ও বর্জিনিয়া । 8 (t ক্ষেত্রে বস্থসস্থ্যক লোক জন ক্লষিকৰ্ম্ম করিতেছে ; এবং কৰ্ত্তার মত এক ব্যক্তি দক্ষিণ হস্তে যষ্টি, বাম হস্তে হক লইয়া তামাকু খুইতেই তাহদের কাজকর্মের তত্ত্বাবধান করিয়া বেড়াইতেছেন । কৰ্ত্ত ব্যক্তির শরীরটি বড় দীর্ঘ নয়, বড় খৰ্ব্বও নয়, মধ্যমরূপ, কিন্তু অতিশয় ক্লশ । চক্ষু দুটা কোটরে প্রবেশ করিয়াছে ; তদুপরি জদুটিও সঙ্কুচিত । স্বভাব নিতান্ত তমোময় । বস্তুতঃ তাহার মুর্ভিটা অতিশয় ভয়ানক ছিল। বজিনিয়া পালের সঙ্গেই অকুতোভয়ে তাহার নিকটে উপস্থিত হইল, এবং কৃতাঞ্জলি পুটে এই প্রার্থনা করিল “ মহাশয় । অনুগ্রহ করিয়া আপনার পশ্চাদ্বৰ্ত্তিনী এই দাসীটির অপরাধ মার্জন করুন । অপরাধ মার্জন করিলে পরমেশ্বর অবশ্যই মঙ্গল করিবেন ’ । বর্জিনিয়ার তাদৃশ প্রার্থনার সময়ে ক্লষককে বোধ হইল, যেন তিনি তাহাদের অতি সামান্য পরিচ্ছদ দেখিয়া ইতরলোক বিবেচনায় সে সকল কথা শুনিয়াও শুনিতেছেন না । খানিক ক্ষণ পর্য্যন্ত সেই সৰ্ব্বাঙ্গসুন্দরী বর্জিনিয়ার রূপলাবণ্য, বিশেষতঃ কুঞ্চিতালকে তাহার সেই চাদমুখ খানির সাতিশয় শোভা নিরীক্ষণ করিয়া সদয়ভাবে তাহার সেই সুমধুর বাক্যের উত্তর না দিয়া থাকিতে পারিলেন না । তিনি আমনি আপনার যষ্টিগাছটি উদ্ধে তুলিয়া সাতিশয় দৃঢ়বাক্যে কহিতে লাগিলেন,“ পরমেশ্বর সাক্ষী! আমি যথার্থ বলিতেছি, আমি কেবল তোমার অনুরোধেই এবার উহার দোষ সকল মাজন করিলাম। এ অনুরোধ অন্যের হইলে আমি কদাচ শুনিতাম না । আর