পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/৬৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাল ও বর্জিনিয়া । ৫ ৩ লাম, রাত্রিকালেও সেইরূপ করিব, এবং তেমনি করিয়া ফল পাড়িয়া অনিয়া ভোজন করিব । আর ব্লক্ষের পত্ৰসকল তলে বিস্তীর্ণ করিয়া দুই জনে শয়ন করিয়া পরম মুখে নিদ্রা যাইয়া রাত্রি যাপন করিব ’ । পাল এরূপ আশ্বাসের কথা কহিয়া সাহস দেওয়াতে বজিনিয়ারও কিঞ্চিৎ ক্লান্তি দূর হইল। ইহাতে সে তৎক্ষণাৎ গাত্ৰোদ্ধান করিয়া অনতিদূরস্থিত অবনত একটি প্রাচীন শাল গাছ হইতে গুটিকত বড় ২ পাতা পাড়িয়া আনিল এবং তাহাতে পাদস্ত্ৰণ (মোজ } প্রস্তুত করিয়া পরিধান করিল । সাতিশয় বন্ধুর পাষাণখ গুময় পথ পর্য্যটন করিয়া তাহার পা-দুখানি এককালে স্থানে ২ ক্ষত ও স্ফোটিত হইয়া গিয়াছিল, কিন্তু সেই মোজা জোড়াটি পরিধান করাতে তাহার চলনের আপাততঃ কিঞ্চিৎ সুবিধা হইল । বর্জিনিয়া অনুভব করিয়া দেখিল মোজা পায় দিয় চলিতে আর কিছু বেদন বোধ হইতেছে না । ইহাতে সে একগাছি কঞ্চীর যষ্টি ভাঙ্গিয়া লইল, এবং এক হস্ত পালের স্কন্ধে দিয়া ও অপর হস্তে সেই যষ্টি অবলম্বন করিয়া পুনৰ্ব্বার সেই দুর্গম পথ চলিতে আরম্ভ করিল । এদিকে স্থৰ্য্য অস্তগত হইলে পর দিক সকল ক্রমে তমোময় হইতে লাগিল । প্রকাণ্ড শাখাযুক্ত উচ্চ ২ ব্লক্ষ সমৃহ ব্যবধান থকাতে ত্রিশিরা পৰ্ব্বত কোন দিকে রহিল আর দৃষ্টিগোচর হইল না। এতক্ষণ তাহার। স্থৰ্য্যের আলোকে সেই পৰ্ব্বতের শৃঙ্গাদি দেখিয়া দিক, নির্ণয় করিয়া আসিতেছিল, এখন আর সে উপায়ও রহিল না। তাহারা তখন সাহস করিয়া কতক দূর