পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/৬৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাল ও বর্জিনিয়া । (* @ অভয় প্রদান করিয়া যাও ” । পাল এইরূপে অনবরত চীৎকার করিতে লাগিল, তথাপি কাহারে উত্তর পাইল না। তথায় মানুষ থাকিলে ত উত্তর দিবেক ? তখন সেখানে জনমনুষ্যের সমাগম ছিল না । কেবল তাহার চীৎকার শব্দই কানন মধ্যে প্রতিশক্তিত হওয়াতে তখন সেই বনই তাহার কথার এক প্রকার উত্তর দিতে লাগিল । ঐ ধ্বনির সঙ্গে বার দুই “ বর্জিনিয়া২ ” এই শব্দও তাহার শ্রবণগোচর হইল । তাহাতে তাহীর মনে কিঞ্চিৎ ভয়ের সঞ্চার হওয়াতে সে তৎক্ষণাৎ বৃক্ষ হইতে অবতীর্ণ হইল । তদনন্তর সে ভাবিতে লাগিল অমর | এস্থলে কি আহার করিয়া এ রাত্রি কাল যাপন করি । কোন স্থানে বা সেই ফলের ব্লক্ষ ? কোথায় বা পৰ্ব্বতীয় নিঝর ? অন্ধকারে কিছুই দেখিতে পাওয়া যাইতেছে না। কণ্ঠে ২ ঘর্ষণ করিয়া যে অগ্নি জ্বালাইন, তাহারই বা শুষ্ক কাষ্ঠ এখন কোথায় পাই ? এখন ত আমর। বিষম সঙ্কটে পড়িলাম, উপায় কি ! ? মনে ২ এ সকল ভাবনা করিয়াও পাল কিছুই স্থির করিতে পারিল না ; বরং আপনাকে নিতান্ত অক্ষম বোধ করিতে লাগিল । অনন্তর সে একান্ত নিরুপায় হইয়| বিনা রোদনে অীর থাকিতে পারিল না। বfজনিয়া ভাইকে রোদন করিতে দেখিয়া কহিল দাদা পাল! আর রোদন করিও না! তোমার রে দিন দেখিলে আমার মন অত্যন্ত শোক - कूज इग्न । अभाव डाशा অতিমন্দ ! আমি কেবল তোমাকেই বিপদগ্ৰস্ত করিলাম, এমত নহে, আমাদের অনুপস্থিতিতে জননীরাও এক্ষণে যেরূপ শোকসাগরে