পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/৭১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Ф с পাল ও বর্জিনিয়া । অনস্তর তাহারা উভয়ে সেই ভক্ষ্য ও পানীয় দ্রব্য সকল বিভাগ করিয়া খাইতেছে এমত সময়ে, তাহার। দেখিতে পাইল অতি দূরে যেন কেহ একটা আলো লইয়া আসিতেছে । ইহা দেখিয়া তাহার। সকলেই নিতান্ত বিস্ময়াপন্ন হইয়া ব্যস্ত সমস্ত হইতে লাগিল । দমিঙ্গ অতি সত্বরে একটা মসলি জ্বালিয়া পাল ও বজিনিয়াকে সমভিব্যাহারে করিয়া কিঞ্চিৎ অগ্রসর হইল । অনেক পথ পর্য্যটন করিয়াছিল এবং পায়ে অতিশয় বেদন৷ হইয়াছিল বলিয়া পাল ও বর্জিনিয়া “ আর চলিতে পারা যায় না এখানে থাকা যাউক আইস ” বলিয়া দমিঙ্গের কাছে চলিবার অনিচ্ছা প্রকাশ করিল। দমিঙ্গ তখন বড় সঙ্কটেই পড়িল । কি করিলে ভাল হয় তাহ তখন স্থির করিতে পারিল না । সে তখন মনে ২ ভাবিতে লাগিল, এখন আমি কি করি ? ইহাদিগকে রাখিবার জন্য কাহারো কোন আশ্রয় স্থান অন্বেষণ করি, কি ইহুদিগকে লইয়। এই স্থানেই অবস্থিতি করিয়া নিশ যাপন করি । এইরূপে দোলায়মান হইয়া দমিঙ্গ তাহাদিগকে কহিতে লাগিল “ তোমরা যখন ছেলে মানুষ ছিলে, তখন আমি তোমাদিগের দুই জনকেই এককালে কোলে করিয়া লইতাম ; এখন তোমরা বড় হইয়াঙ্ক, আমিও বৃদ্ধ হইয়াছি, শক্তি সামর্থ্য পূৰ্ব্বের মত কিছুই নাই, তাহ থাকিলেও তোমাদিগকে কোলে করিয়া যাইতে পারিতাম । এখন সে চেষ্টা করাও নিস্ফল’ । এই সকল কথা হইতেছে এমত সময়ে মারুণের এক দল কাফি সৈন্য আসিয়া তাহাদের সম্মুখীন হইল ।