পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/৮২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাল ও বর্জিনিয়া। q Y রিভাগে এই কথা লিখিয়া রাখিলাম “ নিষ্পাপ ও অপ্রবঞ্চক ব্যক্তিরাই এই স্তানে অবস্থিতি করিতেছেন “ সমনস্তর সেই ধ্বজাদণ্ডে তাদৃশ গুণোৎকীৰ্ত্তনের লিপি দেখিয়া বর্জিনিয়ার মনে কিছুমাত্র সন্তোষ হইল না । তাহার বিবেচনায় তদ্রুপ লেখা অতিশয় প্রৌঢ়োক্তি এবং দুরবগম হইয়াছিল । সে তাহাতে মনে২ কিঞ্চিৎ বিরক্ত হইয়াছিল বটে, কিন্তু আমার উপরি তাহার ভাবের ব্যতিক্রম হয় নাই । অনেকক্ষণের পর মে আমার নিকট “প্রকারাস্তরে লিখিলেই ভাল হইত ” এই কথাটি মুখদিয়া নির্গত করিল। ইহাতে আমি “ না হবে কেন, অকপট ধৰ্ম্মের লক্ষণই এই ” এই কথা বলিয়া প্রশংসা করিতে লাগিলাম । এ কথাতেও তাহার কিঞ্চিৎ লজ্জাবোধ হইল । এই যে সকল পদার্থ চতুর্দিকে রহিয়াছে দেখিতে পাও, এ সমুদায়ই তাহাদের মুখের সাধন ছিল । তাহারা অতি যৎসামান্য বস্তু-সকলেরও কোমল ২ নাম দিয়া বিখ্যাত করিয়া গিয়াছে। সম্মুখে যে তৃণাছন্ন ভূমিখণ্ড পতিত রহিয়াছে, ওখানে তাহারা চারি দিকে কমলালেবু ও কদলী ব্লক্ষের শ্রেণী রোপণ করিয়া দিয়াছিল । পাল ও বজিনিয়া বিনোদ করণের চলে তথায় যখন তখন নৃত্য করিয়া থাকিত। এই হেতু তাহারা ঐ স্থানকে “প্রীতিভূমি বা বিনোদপদ” বলিয়৷ ডাকিত । আর ওখানে বহুকালের একটি প্রাচীন ব্ৰক্ষ ছিল, তাহার তলে বসিয়া তাহাদের মাতার প্রায় আপনাদের দুর্ভাগ্যের কথা কহিতেন, এই হেতু তাহারা সেই স্থানের “ শোকস্থদন ’ নাম দেয় ।