পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/৮৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


१२ পাল ও বর্জিনিয়া । ইহা ব্যতীত তাহারা ক্ষেত্ৰ সকলেরও ভিন্নই নাম দিয়া প্রসিদ্ধ করিয়াছিল । সেই প্রবাসিত দুই পরিবার যখন আপনাদের জন্মভূমির বৃত্তান্ত স্মরণ করিত তখন তাহাদের প্রবাসের ক্লেশ এককালে শিথিল হইয়া পড়িত। তাহাদের -গুণের কথা বর্ণনা করিতে গেলে, অামার হৃদয় বিদীর্ণ হয়। এখানে যে কয়েকটা বৃক্ষ বিশৃঙ্খলভাবে রহিয়াছে, ও যে সকল নিঝর পতিত হইতেছে, এবং যে সমস্ত পাষাণখণ্ড ইতস্ততঃ বিক্ষিপ্ত রহিয়াছে, এ সমস্তই তখন শ্রবণমনোহর এক২ নামে প্রসিদ্ধ হইয়াছিল । এখন কি তাহার কিছু মাত্র আছে ? ক্রমেই সমস্তই বিনষ্ট হইয়া গিয়াছে । এই সকল স্থান দেখিলে গ্রীস দেশের জঙ্গলময় প্রান্তর মনে পড়ে । ফলে এখানকার পূর্বের কথা মরণ হইলে চিত্তে ধৈর্য্য ধারণ করা নিতান্তই তার হইয় উঠে । * সম্মুখেই যে ভূমিভাগ খানি দেখা যাইতেছে, ইহার মধ্যস্থলে “ বর্জিনিয়া বিরাম” নামক এক নির্দিষ্ট স্থান ছিল, তাহ। এখানকার সৰ্ব্বস্থান অপেক্ষা অধিক মনোহর। আর “প্রীতিবিকাশ ” নামক এক কোণা1র সুদৃশ্য স্থান ঐ গগুশৈলের প্রস্থদেশে বর্তমান আছে । তথায় নিঝর পতিত হইয়া অতিশয় বেগে প্রবাহিত হইতেছে । ঝরণার কিঞ্চিৎ দূর অন্তরে বিস্তারিত গোপ্রচারের মধ্যবর্ভি এক পঙ্কিল স্থান আছে । পাল ভূমিষ্ঠ হইবামাত্র আমি মার গ্রেটকে সেই স্থানে একটি নারিকেল ৱক্ষ রোপণ করিয়া দিতে পরামর্শ দিয়াছিলাম । মনে করিয়াছিলাম যদি উত্তর