পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/৮৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাল ও বর্জিনিয়া। ( সিত। তাহাদিগকে দেখিয়া বোধ হইত যেন কুকুটশরিক সকল চিচিকুচিধ্বনি করত যুথেই অগ্রসর হইয়। আসিতেছে। পাল ও বজিনিয়া এইরূপ বিহঙ্গময়ুথের ক্রীড়া কৌতুকাদি দর্শন করিয়া যাহার পর নাই প্রীতি প্রাপ্ত হইত । এইরূপে সেই বৃদ্ধ মহাপুরুষ তাহাদের সমস্ত রত্তান্ত বর্ণন করিতে ২ শোকাবেগ সম্বরণ করিতে অসমর্থ হইয়। আক্ষেপ করিয়। কহিতে লাগিলেন “কোথায় গেলেরে প্রাণাধিক প্রিয়তম বাছা সকল ! আহ! তোমরা কি অনিৰ্ব্বচনীয় সাধুতায় বাল্যাবস্থা যাপন করিয়া গিয়াছ । তোমাদের অবিরত সরল কার্য্যে সে সকল কাল কি পর্য্যন্ত না বিখ্যাত হইয়াছিল । তোমাদের জননীরা তোমাদিগকে ভূয়োভূয়ঃ বাহুলতায় আলিঙ্গন ও মুখচুম্বন করত ক্রোড়ে তুলিয়া পরমেশ্বরের প্রতি কত কত বার ধন্যবাদ না করিতেন । । তোমাদের সেই অলোকসামান্য সদ্ব ভভা দেখিয়া সেই দুই প্রস্থতি তদবস্থাতেও পরমসুখে জীবনযাপন করিবার আশ্বাস করিতেন । তোমাদের তৎকালীন মুখজনক ব্যাপার দর্শনে তাহাদের যে কি পৰ্য্যস্ত সন্তোষ উৎপন্ন হইত, তাহ! কি বর্ণনা দ্বারা ব্যক্ত করিতে পারা যায় । আমি কত কত বার তোমাদের সমভিব্যাহারে * ଓ** ছায়ায় বসিয়৷ আহারাদি করিতাম ! ’ । 象 এইরূপ বিস্তর অক্ষেপ করিয়া তিনি আমাকে পুনবার সম্বোধন করিয়া কহিতে লাগিলেন “বৎস! সৰ্ব্বনাশ যাহা হইবার তাহা হইয়া গিয়াছে, এক্ষণে