পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/৮৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পাল ও বর্জিনিয়া । উচিত। তাহাতে তাহারা তৎক্ষণাৎ সীতিশয় ব্যগ্রতা সহকারে পরমেশ্বরের উদেশে প্রার্থনা করি যা কহিত “হে করুণাময় প্ৰণতপাল জগদীশ! যদি তুমি রূপ। করিয়৷ সেই দুর্ভাগ্যবান ব্যক্তিদিগের প্রতি অীমাদিগকে কোন সাহায্য করিবার ক্ষমতা প্রদান করিতে, তাহাহইলে তখন আমাদেব কতই আনন্দ হইত। ’ । অনন্তর নিদ্র। যাইবার সময় উপস্থিত হইলে পর তাঙ্গারা পৃথক গৃহে পৃথক শয্যায় শয়ন করিতে গমন করিয়া, কতক্ষণে রজনী প্রভাত হইবে এবং কতক্ষণেইবা তাহারা পরস্পর পুনৰ্ব্বার সাক্ষাৎ করিবে এট চিন্তায় নিতান্ত অধীর হইত। অত্যন্ত ঝড় ও ব্লষ্টির সময়ে তাহারা অতি সামান্য গৃহে অবস্থিতি করিয়া মনেই পরমেশ্বরের প্রতি ধন্যবাদ প্রদান করিত এবং কহিত “হে করুণাময়! আমাদিগকে কি নিৰ্ব্বিঘ্নেই রক্ষা করিতেছ। যাহারা আমাদের হইতে দূরবর্তী তাহারা এখন কে কি বিপদে পডি়েতছে তাহ কিছুই দেখিতে পাইতেছি না, বোধ হয় তুমি তাহাদিগকেও এমনি ভাবে রক্ষা করিয়া থাকিবে সন্দেহ নাই ’ । বিৰি দিলাতুর প্রতিদিন কোন নির্দিষ্ট সময়ে ধৰ্ম্মপুস্তকেব কোন অংশ হইতে এক ২টি চিত্তরঞ্জক উপাখ্যান উদ্ধ ত করিয়া উচ্চৈঃস্বরে পাঠ করিতেন । তাহাতে শ্রোতৃগণের পক্ষে যে কি পৰ্য্যন্ত উপকার দর্ণিত তাহ বর্ণমাদাদা ব্যক্ত ফুঃ দুর্ঘট । তাহাদের আন্তরিক ভাব ও বাহ চেষ্টার সহিত, ধৰ্ম্মপুস্তকের প্রধান মৰ্ম্ম, পরমার্থজ্ঞান ও নীতিজ্ঞানের তুলনা করিয়া দেখিলে কিছুগাত্র ইতর বিশেষ বোধ হইত