পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/৯৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


b-R পাল ও বজিনিয়া । দ্রব্য প্রস্তুত করিতে কোন অপ্রতুল হইত না। এইরূপে অমর ভোজনাদি সমাপন করিয়া ইতস্ততঃ পৰ্য্যটন ও পৰ্ব্বতীয় পদার্থের ও সাগর-তরঙ্গের অপুৰ্ব্ব শোভ নিরীক্ষণ করত চিত্তবিনোদনে উদ্যত হইতাম । সেই সময়ে পাল জলবিহার বাসনায় সমুদ্রের তরঙ্গাভিমুখে ঝাম্প দিয়া পত্তিত হইত এবং উচ্চ ২ তরঙ্গ সকল নিকটস্ত হইবামাত্র সে অমনি সত্ত্বর হইয়৷ তটাভিমুখে, প্রত্যাগত হইত। বর্জিনিয়ার স্বভাৰ অতি মুকুমার ছিল, একারণ সে প্রিয়তম পালের তা দুশ সাহস দেখিয়া, পাছে তাহার কোন বিপদ ঘটে, এই আশকায় একান্ত ব্যাকুল হইয়। তাহাকে ডাকিয়া কহিত “দাদা ! ক্ষান্ত হও, এমন ৰিষম ভয়ঙ্কর জলবিহার হইতে নিৰ্ব্বত্ত হও । এ দুধর্ষ সমুদ্রের কল্লোল দেখিয়া অামার হৃৎকম্প হইতেছে । তোমার আর এমন সাহস প্রকাশে কাজ নাই । ” ভোজ নাদি সমাপন হইবার পরে যখন আমরা নিশ্চিন্ত হইয়া বসি তাম তখন পাল ও বর্জিনিয়া অামাদের সম্মুখে-আসিয়া রন্ধুড়ঙ্গের সহিত নৃত্য এবং সুললিত শ্রবণমনোহর মধুর স্বরে গান করত আমাদিগকে যৎপরোনাস্তি পরিতুষ্ট করিত । বর্জিনিয়া প্রায় গানই করিত। তাহার গানের ভাব প্রায় এই প্রকার হইত ষে যাহার। গ্রামবাসী হইয়া অঞ্চণী ও অপ্রত্নাসী হয় তাহারাইমুখী এবং ধনোপাজনের জন্য যাহারা দূরে যায় তাহাদের হইতে আর দুঃখী কেহই নাই । কোনই সময়ে তাহারা ভাই ৰোনে ভাড়ামি ও অভিনয় অাদি করিয়! আমাদিগকে অামোদিত