পাতা:পাল ও বর্জিনিয়া.pdf/৯৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Ꮏ• Ꮼ পাল ও বর্জিনিয়া। বন করিয়া যখন তখন মুক্তকণ্ঠে কহিত “দেখ দেখি আমরা কেমন আশ্চৰ্য্যরূপে অপরিমেয় মুখসমৃদ্ধি ভোগ করিতেছি ” । যাহার। সেই মহামহোৎসবের কার্য্য দর্শন করিতে আসিতেন তাহদের গৃহে যাইবার সময়ে বর্জিনিয়া যাহাকে যে বস্তুর অভিলাষী বুঝিতে পারিত তাহাকে তাহা গ্রহণ করাইতে যৎপরোনাস্তি আগ্রহ প্রকাশ ও অনুরোধ করিত । এবং প্রকারাস্তর করিয়া কহিত এ বস্তুটি নূতন, ইহা আর কোথাও পাওয়া যায় না, তোমাকে এইটি অবশ্যই লইতে হইবেক, তুমি এইটা লইলে মনে বড়ই প্রীতি পাইব । বজিনিয়ার এতাদৃশ প্রার্থনায় তাহার তদগ্রহণে সম্মত হইতেন । সুতরাং কোন বস্তু গ্রহণের জন্য লালসা প্রকাশ করিলে যেমন দারিদ্র্যজনিত মনঃক্ষোত প্রকাশ পায়, তাহার সম্ভাবনাই থাকিত না । আহা! বর্জিনিয়ার কি অপূৰ্ব্ব চতুরতাই ছিল তাহ মনে পড়িলে আর ধৈর্য্যধারণ করিতে পারা যায় না । তাহার কেবল এইমাত্র গুণ ছিল এমত নহে, কিন্তু সকলে তাহাকে অপার দয়ার সাগর কহিত । তাহার একই দয়ার পরিচয় শ্রবণ করিলে কাহার মনঃ না আদ্র হয় ? বর্জিনিয়া সেই উৎসব সময়ে যদি সেই সকল ব্যক্তির মধ্যে কাহারে বসন ছিন্ন বা জীর্ণ দেখিতে পাইত, তাহা হইলে তৎক্ষণাৎ আপন মাতার অনুমতি লইয়। আপনার এক প্রস্থ পুরাতন পরিচ্ছদ বাহির করিয়া পালের হস্তে দিয়া কহিয়া দিত দাদা ! ड्रभि ७ई बननॐ ४ जड़ेब्रा अयूक बाखिद्र कूशैब्र দ্বারে রাখিয়া আইস, কিন্তু সে কিম্বা তাহার আর