পাতা:পৃথিবীর ইতিহাস - প্রথম খণ্ড (দুর্গাদাস লাহিড়ী).pdf/১২৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১১২. ভারতবর্ষ। ; , , , যোগ । কিন্তু চিত্তবৃত্তি নিরোধ কি প্রকারে হইতে পারে ? তছত্তরে পতঞ্জলি বলেন“অভ্যাসবৈরাগ্যাভ্যাম তন্নিরোধঃ " অর্থাৎ অভ্যাস ও বৈরাগ্য-দ্বারাই চিত্তবৃত্তিনিরোধ হয়। সেই চিত্তবৃত্তি-নিরোধের অপর নাম—সমাধি। সমাধি নানাপ্রকার এবং নানারূপে সিদ্ধ হইয়া থাকে ঈশ্বর-প্রণিধান দ্বার সমাধি হয় ; চিত্ত-ন্থৈৰ্য্যের দ্বারা , সমাধি হয়। ৰে সমাধি দ্বার সমস্ত বৃত্তি নিরুদ্ধ হয়, তাহ নির্বাঙ্গ সমাধি ; সেই সমাধি আয়ত্ত হইলেই পুরুষ শুদ্ধ-যুক্ত ; সেই অবস্থার নামই—পুরুষের কৈবল্য-লাভ। কৈবল্য-লাত্ত হইলে পুরুষ কি অবস্থায় অবস্থিতি করেন, পতঞ্জলি তাহার এইরূপ পরিচয় দিয়াছেন,— SBBBBBBBB BBBBB BBBBBB BBBB BBBBBS B BBBBuBB S S S গুণের সহিত পুরুষ সম্বন্ধ-পূক্ত হইলে, পুনরায় বিকার উপস্থিত হয় না । সেই অবস্থায় কৈবল্য অর্থাৎ আত্মার স্ব-রূপে অবস্থিতি । সে অবস্থায় ভেদজ্ঞান থাকে না ; আত্মা জ্ব-রূপে প্রতিষ্ঠিত হয়। কপিলাদি যে অবস্থাকে নিঃশ্রেয়স বা মোক্ষ প্রভৃতি নামে অভিহিত করিয়াছিলেন, পতঞ্জলি-কথিত স্ব-রূপে অবস্থান বা কৈবল্য সেই-অর্থেই প্রযোজ্য। পতঞ্জলির মতে,—মুখ-দুঃখ আত্মার ধৰ্ম্ম নহে ; উহা চিত্তের ধৰ্ম্ম, আত্মায় প্রতিবিম্বিত হয় মাত্র। সুতরাং, রাগদ্বেষাদি চিত্ত-বৃত্তির সহিত সম্বন্ধ ছিন্ন করিয়া, স্ব-রূপে অবস্থান করিতে পারিলেই আত্মার কৈবল্য বা মোক্ষলাভ হয়। - পতঞ্জলি-কথিত যোগ-ক্রিয়ার যে মান প্রকার-ভেদ আছে, পূৰ্ব্বেই তাহার উল্লেখ করিয়াছি। প্রাণায়াম, নিশ্বাস-রোধ, অঙ্গঙ্কাশ প্রভৃতি যৌগিক ক্রিয়,-উপযুক্ত গুরুর . নিকট যোগ-শাস্ত্র শিক্ষা না করিলে ফলপ্রদ হয় না। যথাবিহিত (*- পদ্ধতি-ক্রমে যোগ-শিক্ষা করিলে, অসাধ্য সাধন সম্ভবপর। যোগबादाचा প্রভাবে যোগীর দেহ স্বল্প হইতে দুষ্মতর অবস্থা প্রাপ্ত হইয়া যথেচ্ছ উৰ্বে আরোহণ করিতে পারে। ৰোগবলে যোগী ত্রিকালের বার্তা অবগত হইতে পারেন। কিন্তু যোগ-শিক্ষার পাত্রও এখন বিরল এবং শিক্ষকও এখন অমুসন্ধান করিয়া পাওয়া যায় ম। যখন যোগ-শাস্ত্রের পূর্ণ প্রভাব এদেশে বিদ্যমান ছিল, তখন যোগ-বলে ষে সকল অলৌকিক ব্যাপার সম্পন্ন হইত, এখন তাহ উপন্যাসেরও অধিক আশ্চৰ্য্য-জনক। অধিক বলিব কি, অৰ্দ্ধ-শতাব্দী পূর্বেও এদেশের যোগিগণের যে ক্রিয়া-কলাপ প্রদর্শিত হইয়াছে, তাহ স্মরণ করিলেও চমকিত হইতে হয়। কয়েকটা দৃষ্টান্ত উল্লেখ করিতেছি—ষে সকল ব্যাপারের সাক্ষ্য, বৈদেশিক ইংরেজগণ পৰ্য্যন্ত দিতে প্রস্তুত আছেন। প্রথম-পঞ্জাবকেশরী মহারাজ রণজিৎ সিংহের দরবারে সাধু হরিদাসের যোগ-সমাধি। ভাক্তার ম্যাক গ্রীগর আপনার শিখ ইতিহাস গ্রন্থে লিখিয়া গিয়াছেন—“১৮৩৭ খৃষ্টাৰে মহারাজ রণজিৎ সিংহের উষ্ঠানে এই অভাবনীয় ব্যাপার সংঘটিত হয়। লাহোৱে এক ফকির SBBBBBBBS BBB BBBSSSBBBB BBBB BBB BB BBD DBBSBBBB করিলে, তিনি বিনা পানাহারে যতদিন ইচ্ছা বাচিয়া থাকিতে পারেন। মহারাজ রণজিৎ সিংহ সে কথা বিশ্বাস করেন না; তিনি প্রমাণ দেখিতে চান। স্বতরাং সাধুকে ধ মধ্যে পুরিয়া চাৰি বন্ধ করা হয় এবং সেই অবস্থায় উদ্ধান-মধ্যস্থিত কোনও নির্দিষ্ট স্থ