পাতা:পৃথিবীর ইতিহাস - প্রথম খণ্ড (দুর্গাদাস লাহিড়ী).pdf/১৩৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১২৬ ৷ o - ভারতবর্ষ । অতীত নহেন, পরস্তু তিনিই সকলের কৰ্ত্ত ও উপাদান। অদ্বৈতবাদীরা ব্রহ্মের স্বরূপ লক্ষণেরই প্রাধান্স স্বীকার করেন ; কিন্তু দ্বৈতবাদীর লক্ষণের কোনই ভেদাভেদ স্বীকার BBB BBS SS SBBBB BBBSBBBBB BBB BB BBBBBBBB BBBB BB BBBS BBBB BBBBDS BB BBBBBBB BB BBBBB BB B BBBB BBBB BBBB BBB S BBBBS BBBBSBB BBB BBBB BBBBS BB BBBS BB BBS গুণাধার, তিনি স্বষ্টি-স্থিতি-প্রলয়ের মূলাভূত,—তিনিই ব্রহ্ম । জীব ও জগৎ যে র্তাহ হষ্টতে পৃথক, র্তাহাদের মতে, “জন্মাদ্যস্ত’-সুত্রেই তাহ প্রতিপন্ন হয় । শ্বেতাশ্বতর উপনিষদের দৃষ্টান্তে তাহার উল্লেখ করেন,—পরমেশ্বর ও জীব দুইটী পক্ষিবিশেষ । উভয়েই তুল্যভাবে দেহরূপ বৃক্ষে আশ্রয় করিয়া আছেন। এক জন মুস্বাদু ফল ভোজন করিতেছেন ; অন্ত জন অনাহারী থাকিয়া কেবল তাহা দৰ্শন করিতেছেন । অর্থাৎ, ঈশ্বর-রূপ পক্ষী সুপদুঃখরূপ কৰ্ম্মফলাদির অধীন নছেন ; কিন্তু জীব-রূপ পক্ষী তৎসমুদায়ের একান্তু অধীন । * দ্বৈতবাদিগণ আরও বলেন,—“উপলব্ধি হয় বলিয়াও জগতের সত্ত্ব স্বীকার করিতে হয় ।” এ সম্বন্ধে “ভাবে S BBBBS LS B BBBBBBBS BBBBBB BBB BBS BB BB BBBBB BBB BBBB gBBB BBB BBB BBB BBB SSSSSS BBB BBBS BB BBBB BB BBBS BBBS BB ‘মাহ উপলব্ধি হয় না তাহা নাই –এই রূপ অর্থ-সঙ্গতি-পুৰ্ব্বক, “জগৎ উপলব্ধি হয় সুতরাং জগতের সত্ত্ব আছে”—ইহাই প্রতিপন্ন করেন । অপিচ, যে নদী ও সমুদ্রের দৃষ্ঠাস্তে, যে ঘট ও মৃত্তিকার দৃষ্টাস্তে, যে কুগুল-বলয়াদি ও ক্ষুবর্ণের দুঃান্তে, অদ্বৈতবাদিগণ আপনাদের মত প্রতিষ্ঠা করেন ; সেই পেই দৃষ্টাস্তেরই অবতারণার রূপান্তরে দ্বৈতবাদিগণ দ্বৈতমত প্রতিষ্ঠা করেন। দ্বৈতবাদীরা বলেন,—“নদীর ও সমুদ্রের জল দৃষ্টতঃ অভিন্ন বলিয়া মনে হইলেও, উহাতে বিবিধ ভেদ দৃষ্ট হয়। নদীর জল বিশুদ্ধ; সমুদ্রের জল লবণাক্ত। নদী—স্কুদ্র সীমাবদ্ধ; সমুদ্ৰ—অসীম অনন্ত। নদী যখন সমুদ্রে মিলিত হয়, তখন তাহার ইতর-বিশেষ বুঝিতে পার। যায় না বটে ; কিন্তু বস্তুগত জলের মধ্যে বিশুদ্ধতা ও লবণাক্ততার প্রভেদ থাকেই থাকে । জীব ও ঈশ্বরের সম্বন্ধও ঠিক সেইরূপ । প্রলয়ে জীব পরব্রহ্মে মিলিত হইলেও, উভয়ের পার্থক্য অবশুই আছে। দুগ্ধ ও জল মিশ্রিত হইলে, তাহার পার্থক্য অনুভূত হয় না বটে ; কিন্তু হংসগণ সে পার্থক্য ভেদ করিতে পারে ; তাহার। অনায়াসেই জল ভ্যাগ করিয়া দুগ্ধ পান করিয়া থাকে। সেই দুগ্ধ ও জলের প্রভেদ–ব্রহ্ম ও জীবের প্রভেদ তুল্য । জুল ও দুগ্ধের প্রভেদ যেমন হংসগণ বুঝিতে পারে ; গুরূপদেশ-প্রাপ্ত মিৰ্ম্মলচেত। সাধুগণ সেইরূপ জীব ও ব্রন্ধের প্রভেদ উপলব্ধি করিতে সমর্থ হন । তখন, জীব আপনাকে সেবক ও ঈশ্বরকে সেবারূপে বুঝিতে পারেন । বুঝিতে পারিয়া, জীব যখন ব্রন্ধের উপসনার প্রবৃত্ত হন, তখনই তাহার দুঃখভোগের অবসান হয়। আপনাকে ঈশ্বর ভিন্ন জানিয়া, ঈশ্বরের ভজন দ্বারাই জীবের মুক্তিলাভ হয়।” যুক্তি-সম্বন্ধে রাখাপ্পুজাচার্যএমুখ দ্বৈতবারিগণের ইহাই সিদ্ধান্ত । রামানুজাচার্য্য, বেঙ্গাস্ত-দর্শনের তৃতীয় অধ্যায়ের SHB BBB BBB BBB BDDD BBB BBBBBS BBBBS BBB DDDuBBBBS নীতি "--শ্বেতাশ্বতরোপৰিং, চতুর্থ অন্ধ্যায়, ৬ষ্ঠ মোক ।