পাতা:পৃথিবীর ইতিহাস - প্রথম খণ্ড (দুর্গাদাস লাহিড়ী).pdf/১৪৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


>૭8 . . ভূারতবর্ষ। উঠানে অন্ন রাখিলে অট্টালিকার উপরিস্থিত ব্যক্তির উদরপূৰ্ত্তি হয় না কেন ?" চাৰ্ব্বাকদিগের মতে,–শাস্ত্রাপেক্ষ যুক্তিই শ্রেষ্ঠ ; "কেবলং শাস্ত্রমাশ্রিত্য ন কৰ্ত্তব্যোহব্যর্থনির্ণয়ঃ যুক্তিহীন বিচারেভু ধৰ্ম্মহামিং প্রজায়তে ।” প্রমাণের মধ্যেও প্রত্যক্ষ প্রমাণ মাত্র তাহার। মান্য করেন। তাহারা বলেন,—“অয়মানাদি প্রমাণ, ভ্রমসম্বুল । যেহেতু, অম্বুমান প্রমাণ ব্যাপ্তিজ্ঞান-সাপেক্ষ। কিন্তু প্রত্যক্ষ ভিন্ন ব্যাপ্তিজ্ঞান সম্ভবপর নহে। অথচ, প্রত্যক্ষ বর্তমান-সম্বন্ধেই প্রযুক্ত ; ভূত বা ভবিষ্যৎ বিষয় প্রত্যক্ষ হওয়া অসম্ভব।” চাৰ্ব্বক-গণ শব্দপ্রধাণ স্বীকার করেন না ; সুতরাং, র্তাহাদের মতে, বেদ অপ্রামাণ্য। ফলতঃ, ঈশ্বরের অস্তিত্ব স্বীকার ন৷ করিম, বেদবিহিত ধৰ্ম্মকৰ্ম্ম প্রভৃতির প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন-পূরক ইহলৌকিক স্থখকে সারসামগ্ৰী বলিয়। মনে করাই—চাৰ্ব্বাক-দর্শনের মুখ্য লক্ষ্য। দেবগুরু বৃহস্পতি অম্বরগণের বিনাশ-সাধনের জন্য তাহাদের বুদ্ধি-বিকৃতি ঘটাইবার উদ্দেন্তে এই দর্শনশাস্ত্র প্রচার করিয়াছিলেন ; স্থতরাং, এই দৰ্শন-শাস্ত্রের মতানুসারী হইলে, জীবের অধঃপত অবস্তম্ভাবী—হিন্দু-শাস্ত্রের ইহাই অভিমত । , 'চাক্মাক-দৰ্শনের সহিত ৰৌদ্ধ-দর্শনের নিকট সম্বন্ধ। সুতরাং, তুলনায় পরবর্তি-কালে রচিত হইলেও, চাৰ্ব্বাক-দর্শনের প্রসঙ্গেই বৌদ্ধ-দর্শনের আলোচনা হইয়া থাকে। . মাধবাচাৰ্য্য সংগৃহীত সৰ্ব্বদর্শন-সংগ্রহ-গ্রন্থে চাৰ্ব্বাক-দর্শনের পরই বৌদ্ধ দর্শন। বৌদ্ধ-দর্শনের পরিচয় আছে। চাৰ্ব্বাক-দর্শনের সহিত বৌদ্ধ-দর্শনের পার্থক্য,-চাৰ্ব্বাকগণ একমাত্র প্রত্যক্ষ প্রমাণ স্বীকার করেন। কিন্তু বৌদ্ধগণ ‘প্রত্যক্ষ’ ও ‘অনুমান’– দুইট প্রমাণ স্বীকার করিয়া থাকেন। বৌদ্ধ-দর্শনের প্রারম্ভে অনুমান প্রমাণ সম্বন্ধে চাৰ্ব্বাক-গণের বিরুদ্ধ-মত খণ্ডন করিয়া অনুমান প্রমাণের । এাধান্ত স্থাপন করা হইয়াছে। ভগবান বুদ্ধদেব এই দার্শনিক মতের প্রবর্তক ; স্বতরাং উহা বৌদ্ধ-দর্শন নামে অভিহিত। সংসার জন্মজর মৃত্যুর অধীন, দুঃখভোগই সংসারের চরম ফল ;–সংসারের এই ভাব লক্ষ্য করিয়া বুদ্ধদেব ব্যাকুল হন। কি প্রকারে সংসারের দুঃখ দূর হইতে পারে,—এই চিন্তায়, সংসারাশ্রম ত্যাগ করিয়া, তিনি যখন সন্ন্যাসাশ্রয় গ্রহণ করেন, সেই সময়ই বৌদ্ধ-দর্শনের উৎপত্তি হয়। প্রায় ছয় বৎসর কাল গয়া-তীর্থের সন্নিকটে নৈরঞ্জন-নদীর তীরে বোধি-বৃক্ষমূলে বুদ্ধদেব তপস্তায় নীরত ছিলেন । সেই সময়ে দুঃখোৎপত্তি এবং দুঃখনিবৃত্তির কারণ-পরম্পরা প্তাহার মনোমধ্যে উন্নুর হইয়াছিল। তখন দুঃখ ও দুঃখের উৎপত্তি-সম্বন্ধে এবং দুঃখধ্বংস ও দুঃখধ্বংসের উপায়-বিষয়ে তাহার মনে যে চিন্তাস্রোত প্রবাহিত হয়—বৌদ্ধ দর্শনের তাহাই মুীভূত। বুদ্ধদেব জন্মজরাস্তৃত্যু প্রভৃতি দুঃখের বিবিধ রূপ-নির্দেশ করেন। তাহার মতে -রূপ, বেদন, সংজ্ঞা, সংস্কার ও বিজ্ঞান,—এই ‘পঞ্চস্কন্ধ-সমুপেত দেহই দুঃখস্বরূপ। ষে অবস্থায় আর এই দেহ ধারণ করিতে না হয় অর্থাৎ নিৰ্ব্বাণ হয়, তাহাই মুখ । বুদ্ধদেব স্থির করেন,—জন্ম-গ্রহণই সকল দুঃখের হেতুভূত ; জন্ম ন হইলে, জরা, মরণ, ব্যাধি, শোক, নৈরাপ্ত প্রভৃতির সম্ভাবনা থাকে না ; সুতরাং বাহাতে জন্মগ্রহণ করিতে না হয়-দুখনলে BBB BDDDS BB BBBBSBBD DDBB DDS BBB B BBB SBBB S