পাতা:পৃথিবীর ইতিহাস - প্রথম খণ্ড (দুর্গাদাস লাহিড়ী).pdf/১৪৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চাৰ্ব্বাক ও বৌদ্ধ-দর্শন। " - ^రి( জন্মের হেতু । সেই কৰ্ম্মের আবার তৃষ্ণ হইতে উৎপত্তি । ইন্দ্রিয় হইতেই তৃষ্ণার স্বচন । ইন্দ্রিয়ের সহিত বিষয়ের সন্নিকর্ষ হইলে যে বেদন সমুপস্থিত হয়, তাহাই তৃষ্ণার মূলীভূত। তৃষ্ণ বা বাসন অবিদ্যামূলক ” এইরূপে কারণ-পরম্পর অনুসন্ধান করিয়া, বুদ্ধদেব স্থির করেন,—“অবিদ্যা দূর করিতে পারিলে, তৃষ্ণার উচ্ছেদ সাধন হইলে, জন্মগতি রোধ হয়। সেই জন্মরোধই নিৰ্ব্বাণ ; তাহাই আত্যস্তিক দুঃখনাশ। জন্ম ন হইলে, ‘তুমি’ “আমি ভেদ থাকে না ; রূপ-রসাদির বোধ হয় না ; আশা-নৈরাখের ঘাতপ্রতিঘাতের সম্ভাবনা থাকে না।” বুদ্ধদেব যখন ধ্যাননিবিষ্ট ছিলেন, প্রথমেই তাহার মনে এই চিত্তার উদয় হয়,—‘জরামরণং কিং মূলকং ? পৰ্ব্বক্ষণেই উত্তর হয়,—‘জাতিপ্রত্যয়ংহি জরামুরণং। তখন পুনরায় প্রশ্ন উঠে,—কি মূলকং জাতি * উত্তর-– জাতির্ভবতি ভবপ্রত্যয় । অর্থাৎ, সিদ্ধান্ত হয়,- উৎপত্তিই জাতির হেতুভূত। তিনি দেখিতে পান, —উৎপত্তির বীজ উপাদান (ক্ষিত্যপতেজ ইত্যাদি ), উপাদানের বীজ তুষ্ণা, তৃষ্ণার বীজ বেদন। ইন্দ্রিয়ের সহিত বিষয়ের সন্নিকর্ষ-লাভই বেদনার কারণ ; চক্ষু, কর্ণ, নাসিক, জিহবা, ত্বক, মন,—এই ষড়ায়তনেই সেই সন্নিকৰ্ষ সাধিত হয়। রূপ, রস, গন্ধ, স্পর্শ, শব্দ,— এই পঞ্চ বিষয়েই ষড়ায়তনের প্রবর্তন । রূপ-রসাদির বীজ বিজ্ঞান ; বিজ্ঞানেৎিপত্তির বীজ সংস্কার ; সংস্কারের মূল অবিদ্যা । দুঃখের এই হেতুসমূহ অবগত হইয় তাহার উচ্ছেদ-চিন্তায় বুদ্ধদেব যখন নিমগ্ন হন, তখন তাহার মনে হয়, অবিদ্যা রোধ করিলে সংস্কার নিরুদ্ধ হইবে ; সংস্কার রোধ হইলে, বিজ্ঞান দূর হইবে ; তৎপরে ক্রমে ক্রমে সমস্ত দুঃখ নিরুদ্ধ হইলে, নিৰ্ব্বাণ মুক্তি লাভ হইবে বলা বাহুল্য, বুদ্ধদেব স্বয়ং এই সম্বন্ধে কোনও গ্রন্থ রচনা করেন নাই । তাহার নিকট উপদেশ পাইয়। পরবত্তি-কালে তাহার শিষ্যগণ এই দুঃখ-নিৰ্বত্তি বা নিৰ্ব্বাণ-বিষয়ে যে সকল গ্রন্থ রচনা করিয়া যান, তাহাই বৌদ্ধদর্শন নামে অভিহিত হইয়াছিল । বৌদ্ধ-দশনে এই দুঃখোৎপত্তি প্রতীত্যপযুৎপাদ নামে অভিহিত হয় । সকল বস্তুরই অস্তিত্ব প্রতীতি মাত্র । প্রতীতি হইতে বস্তু ও কার্য্য মাত্রের জ্ঞান উৎপন্ন হয় ; –এই জন্যই ইহার নাম—‘প্রতীত্যসমুৎপাদ' । * বাহ ও আধ্যাত্মিক ভেদে প্রতীত্যসমূৎপাদ দুই প্রকার। এই দুই প্রকার প্রতীত্যসমৃৎপাদের প্রত্যেকে আৰাৱ হেতুপনিবন্ধ’ ও ‘প্রত্যয়োপনিবন্ধ দুই ভাগে বিভক্ত হইয়া থাকে। হেতুপনিবন্ধ অর্থ,—কার্য্যোৎপত্তিকালে যাহাতে কেবলমাত্ৰ হেতুভাব বিদ্যমান ; প্রত্যয়েfপনিবন্ধ অর্থ-কার্য্যোৎপত্তির পূৰ্ব্বে কারণ-দ্রব্যের সমবায়-ভাব। যেমন,—

  • বুদ্ধদেব স্বয়ং প্রস্তাত্যসমুৎপাদ বিষয়ে উপদেশ fয়াছিলেন উছার উপদেশের কিয়দংশ এই— SAtttDDDggBBBBBBB BBBBB BBB BBB BBBBBS BBBBBBB BBBS সমুংপাদামুলেমিতা ইতি । অৰ্থ পুণরয়ং প্রতীতfমযুৎপাদে স্বাভ্যাং কারণভ্যাং ভবতি হেতুপনিবন্ধত: 4७J:ु'ोमिदछु । यझिझ९ বীজাদস্তুরোইস্কুরাৎ পত্ৰং পক্ষাৎ কাণ্ডং কাণ্ডাপ্লালং নালাগর্ভে গর্ভাচ্ছকং SAtBB BBB BBBB SBBB BBBBBBB SBBBB BBBB BBBS BBBBS BBB প্রতি আয়স্তে হেত্বস্তুরাণীতি তেষাময়ম্বালানাং ভাষঃ প্রত্যয়োহেছুসমবায় ইতি ৰাৱৎ ঘaাং ধাতুনাং

সমবায় ২ বীজ হেতু স্কুরে জাখতে " ইত্যাদি ।