পাতা:পৃথিবীর ইতিহাস - প্রথম খণ্ড (দুর্গাদাস লাহিড়ী).pdf/১৫৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


శి\ు ভারতবর্ষ | কোনও কোনও সংহিত সঙ্কলিত হইয়াছিল, অনেকে তাহারও প্রমাণ দেখাইয়া থাকেম ; শাতাতপ সংহিতার দ্বিতীয় অধ্যায়ের একত্রিংশং এবং সপ্তত্রিংশং শ্লোকে হরিবংশ ও মহাভারত পাঠ করিয়া শুদ্ধ হইবে”—এইরূপ উক্তি আছে, ইত্যাদিই তাহদের তেতুবাদ । স্মৃতি বা ধৰ্ম্ম-শাস্ত্রের মধ্যে মহুসংহিত। প্রধান স্থান অধিকার করিয়া আছে । মমু’নামের সহিতই কত স্মৃতি বিজড়িত। ব্রহ্মার পুত্র মনু, মনুষ্যজাতির আদি-পুরুষ মনু, স্বায়স্তৃবাদি চতুর্দশ মনু, স্বৰ্য্য-পুত্র মন্থ, পৃথিবীর প্রথম রাজ! মমু, ধৰ্ম্মস্থত্রমনুসংহিতা। প্রণেতা মনু,—মানব-জাতির সহিত মনুর সম্বন্ধ অবিচ্ছিন্ন। সুতরাং কোন মনু কর্তৃক কোন সময়ে মানব-ধৰ্ম্ম-সংহিতা প্রবৰ্ত্তিত হইয়াছিল, কে তাহ নির্ণয় করিবে ? লিখিত আছে, সংসারীর জ্ঞা তবা ও কৰ্ত্তব্য সম্বন্ধে মহর্ষি মনু তাহার শিষ্যগণকে যে উপদেশ দিয়া গিয়াছিলেন, মনুসংহিতায় পরবৰ্ত্তি-কালে তাহার শিষ্যগণ তাহাই লিপিবদ্ধ করিয়া গিয়াছেন । এই সংহিতায়, জগতের উৎপত্তি বিবরণ, জাতকৰ্ম্ম।দি সংস্কার-বিধি, ব্রহ্মচর্য্যের বিবরণ, গুরুর প্রতি অভিবাদন ও স্নান-বিধি, দারাধিগমন, বিবাহ ও বিবাহের লক্ষণ, মহাযজ্ঞৰিধান, সনাতন শ্রাদ্ধ-কল্প, ব্রাহ্মণাদি চতুৰ্ব্বর্ণের জীবিকার লক্ষণ, গৃহস্থের কর্তব্য, ভক্ষ্যাভক্ষ-বিচার, শৌচ, দ্রব্যাদি শুদ্ধির বিধি, স্ত্রী-ধৰ্ম্ম, যতি সন্তাসী ও রাজগণের ধৰ্ম্ম, ঋণদানাদির বিচার-নির্ণয়, সাক্ষাদিগের প্রশ্ন-বিধান, স্ত্রী-পুরুষের ধৰ্ম্ম, দায়ভাগ, দ্যুতক্রীড়া, তস্করাদির দণ্ডবিধান, বৈশু-শূদ্রের কৰ্ত্তব্য-বিধান, সঙ্কীর্ণ জাতি-সমূহের উৎপত্তি-বিবরণ, চতুৰ্ব্বর্ণের আপদ্ধৰ্ম্ম, প্রায়শ্চিন্ত-বিধি, কৰ্ম্ম-জনিত দেগন্তর-প্রাপ্তিরূপ উত্তম-মধ্যম অধম প্রভৃতি ত্ৰিবিধ গতি, মোক্ষেপায়, কৰ্ম্মসমূহের দোষ-গুণ, দেশধৰ্ম্ম, জাতিধৰ্ম্ম, কুলধৰ্ম্ম এবং বেদবিরোধী পাষগুগণের ধৰ্ম্ম প্রভৃতির বিষয় আলোচিত হইয়াছে। মনুসংহিতা~~মহর্ষি মনু প্রণয়ন করিয়া গিয়াছিলেন, অনেকেই এইরূপ বিশ্বাস করেন । BB BBBBB BBS BBB S BBBBBBS BBBBS BBB BB BBSBBB BB আপন শিষ্যগণকে যে শাস্ত্র-তত্ত্ব উপদেশ দিয়াছিলেন, বহুকাল পর্য্যস্ত মুখে মুখে তাহ। প্রচলিত ছিল ; পরিশেষে তাহার কোনও শিষ্য কর্তৃক তাহ লিপিবদ্ধ হইয়াছিল । বৰ্ত্তমান মনুসংহিতা যে মলু কর্তৃক লিখিত সংহিতা নহে, মনুসংহিতার প্রথম অধ্যায়ের শেষ শ্লোকে তাহ বেশ স্পষ্ট বুঝিতে পারা যায় । মহর্ষি মনুর কোনও শিষ্য পরবর্তি-কালে ঐ সংহিতা-শাস্ত্র যে ভাবে বর্ণনা করিতেছেন, তাহ হইতেই প্রোক্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হইতে পারি। সংহিতার প্রথম অধ্যায়ের শেষ শ্লোকে শিষ্য বলিতেছেন—“যথেদমুক্তবান শাস্ত্রং পুরা পৃষ্ট্রে মমুময়। তথেদং যুয়মপ্যষ্ঠ মৎসকাশান্নিবোধত ॥” অর্থাৎ, —“পুরাকালে ভগবান মনু আমার প্রশ্নের উত্তরে আমাকে যাহা বলিয়াছিলেন, আমি যথাযথভাবে সেই শাস্ত্র আপনাদিগের নিকট ব্যক্ত করিতেছি,—আপনার শ্রবণ করুন।” মনুসংহিতার শেৰ শ্লোকেও দৃষ্ট হয়,-"ইতোতন্মানবং শাস্ত্ৰং ভূ গুপ্রোক্তং পঠন্‌ দ্বিজঃ ” অর্থাৎ, মহর্ষি মন্থর শিষ্য ভূণ্ড কর্তৃক যে শাস্ত্র বিরত হইয়াছিল, তাহাই এই মহুসংহিতা আখ্যা প্রাপ্ত । হয়। ইহাতে আরও বুঝা যায়,—এই ভাবে বহুকাল পর্য্যন্ত শ্রুতি-পরম্পরায় চলিয়া আসিয়া পরিশেষে উহ। ধর্তমান জাকার প্রাপ্ত হইয়াছে। সে উপদেশ, প্রথমে স্থত্রাকারে