পাতা:পৃথিবীর ইতিহাস - প্রথম খণ্ড (দুর্গাদাস লাহিড়ী).pdf/২০২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


as " সেই উদ্দেশু-সাধন জন্য, विदिश छूटेखिका উল্লেখ ব্যপদেশে-ইতিহাস, পুরাতত্ত্ব, ভূ-তত্ত্ব, দর্শন-তত্ব, জ্যোপ্তিষ-তত্ব এবং জ্ঞান-বিজ্ঞানের ননি। আলোচনা উহাতে দেখিতে পাওয়া যায়। পুরাণ-সমুহের লক্ষণ যখন ভিন্ন বলিয়া নির্দিষ্ট হইয়াছে, তখন ভাবের অভিন্নতাই উহার মেরুদণ্ড ; তাই মূলে প্রায়ই অসামঞ্জস্য দেখা যায় না। জ্ঞান-ভক্তি শিক্ষা দেওয়াই পুরাণ-পরম্পরার লক্ষ্মীভূত -শ্রতিস্মৃতি-বিহিত ধৰ্ম্ম-তত্ত্ব সহজবোধ্য করিবার জন্যই পুরাণ-সমূহের অবতারণা। তবে ষে কোনও পুরাণে সত্ত্বের, কোনও পুরাণে রজের, কোনও পুরাণে তমের,—কোনও পুরাণে বিষ্ণুর, কোনও পুরাণে শিবের, কোনও পুরাণে ব্রহ্মের, কোনও পুরাণে পুরুষের, কোনও পুরাণে প্রকৃতির, প্রাধান্ত কীৰ্ত্তিত হইয়াছে, সে কেবল—অধিকারিভেদে কর্তব্য-তত্ব दूकाईवान्न জন্ত । সকলের ধারণ-শক্তি সমান নহে-প্রকৃতিও বিভিন্ন ; সুতরাং, সকল শক্তির, সকল প্রস্তুতির উপযোগী করিয়াই পুরাণ-সমূহ রচিত হইয়াছিল। স্বষ্টি-তত্ব সম্বন্ধে দর্শন-শাস্ত্রালোচনায় যে মত প্রতিষ্ঠিত ছিল, স্মৃতি-সমূহেও যাহার সমর্থন দেখিয়া আসিয়াছি, পুরাণেও সেই মত অবিকৃত-ভাবে পরিবর্ণিত। কোনও কোনও স্থলে রূপকের আশ্রয় গৃহীত হইলেও, মূলে সেই একই তত্ত্ব নিহিত রহিয়াছে। দৃষ্টান্তস্বরূপ, প্রথমে বিষ্ণু-পুরাণ হইতে স্বষ্টি-তত্ত্বের মৰ্ম্ম উদ্ধৃত করিতেছি । পরাশর বলিতেছেন“হে মৈত্রেয় ! প্রলয়-কালে গুণসাম্য (সত্ত্ব, রজঃ, তমঃ-গুণের নিক্রিয় অবস্থা) এবং अङ्कछि इड्रेटङ পুরুষ পৃথক-ভাবে অবস্থিত হন । স্থষ্টিকাল উপস্থিত হইলে, পরমেশ্বর আপন ইচ্ছানুসারে প্রকৃতি ও পুরুষে প্রবিষ্ট হইয় তাহাদিগকে ক্ষোভিত অর্থাৎ স্বষ্টি-করণে উন্মুখ করিয়া দেন । কিন্তু তাহতে পরমেশ্বরের কোনও ক্রিয়াবত্তা নাই । যেমন গন্ধ নিকটবর্তী হইবা-মাত্র মনের চাঞ্চল জন্মে, স্বষ্টি-কার্ঘ্যে পরমেশ্বরের ক্ষোভ-জনকতাও তদ্রুপ। পরে স্বল্প-কালে, পুরুষাধিষ্ঠিত সেই গুণসাম্য হইতে গুণবাঞ্জন অর্থাৎ মহত্তত্ব উৎপন্ন श्व । मश्ङस्रं হইতে বৈকারিক অর্থাৎ সাত্ত্বিক, তৈজস অর্থাৎ রাজস ও ভূতাদি । অর্থাৎ তামস--এই ত্ৰিবিধ অহঙ্কার-তত্বের উৎপত্তি। অহঙ্কার ত্রিগুণাত্মক বলিয়া ভূতেক্রিয় দেবতার উদ্ভবের হেতু। যেমন প্রধান তত্ত্ব-দ্বারা মহত্তৰ আবৃত, মহ তত্ত্ব দ্বারা অহঙ্কারSBBB BBBB BBBS BBBB BBBB BBB BBBB BBBBB BBBS BB BBBBS - তস্মাত্র হইতে আকাশের স্বষ্টি । তখন উভয়ে উভয়কে আবৃত করিলে, আকাশ কুভিত হইয়াম্পশ-তন্মাত্রের এবং তাছা হইতে স্পর্শগুণ-বিশিষ্ট বলবান বায়ুর উৎপত্তি হয় এইরূপে আবার আকাশ বায়ুকে আবৃত করিলে, রূপ-তন্মাত্র ও জ্যোতিঃ উৎপন্ন হয়। স্বতঃপর, জোতি বায়ু দ্বারা আবৃত হইলে, জ্যোতিঃ ক্ষুভিত হওয়ায়, রস-তন্মাত্র এবং তাছা । রূপগুণবিশিষ্ট জলের উৎপত্তি ঐ জল আবার জ্যোতিঃ স্বারা আবৃত হইলে, জল । স্থা এবং তাই হইতেই পৃথিবীর উৎপত্তি ফলে তাম্বল ষ্টি হয়। দশ ইঞ্জিয়, তৈজস অর্থাৎ গঙ্গল,