পাতা:পৃথিবীর ইতিহাস - প্রথম খণ্ড (দুর্গাদাস লাহিড়ী).pdf/২৩৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


- রামায়ণ ২২৫ : tYYSDDD BBBB BBBBBB BB BB BBBS BB iBBB BBB S SDgg BBBBB BBBBBS BB BBBB BBBg gDBS BBB BBS জায়মুখ উৎপাদন করতঃ, শ্লাঘ্য হইয় থাকে।...যেমন পদ্ম হইতে সরোবরের ঐ-বৃদ্ধি । এবং সরোবর হইতে পদ্মের ঐ-বৃদ্ধি হয়, তদ্রুপ জ্ঞান হইতে শম-দমারি বৃদ্ধি ; এবং পম-দমাদি হইতে জ্ঞানের বৃদ্ধি হয়। আবার সদাচার হইতে জ্ঞান বৃদ্ধি হয় এবং জ্ঞান হইতে সদাচারের বৃদ্ধি इग्न । যে পৰ্য্যন্ত জ্ঞান ও সদাচার যুগপৎ অভ্যস্ত না হয়, সে পৰ্য্যস্ত তদুভয়ের কোনটাই সম্পূর্ণ আয়ত্ত হয় না। যেমন কলম-ধান্ত-রক্ষিক কৃষক-কামিনী উচ্চ করতালি দিয়া গান করায়, কলমধান্ত-ভক্ষণার্থ বিহঙ্গম-কুলের মিরাকরণ এবং সঙ্গীতপ্রমোদ উভয়ই প্রাপ্ত হইয়া থাকে ; তদ্রুপ মুমুক্ষু পুরুষ কর্তৃত্বাভিমান পরিত্যাগ ও বিষয়কামনা বর্জন দ্বারা জ্ঞান এবং সদাচার পদ যুগপৎ প্রাপ্ত হইয় থাকে ...কাৰ্য্যমাত্রই ভোগ্য BBB BBBSBBDSDDD BBBBS BBBB BB BBSS BBB BBBBBB BBD মরীচিকা, সেইরূপ ভোগ্য-বস্তুর আশ্রয় ব্রহ্ম। কিন্তু দৃষ্টি-শক্তির দোষে মরীচিকায় যেমন জলভ্রম হয়, অজ্ঞান-দোষে ব্রহ্মেও সেইরূপ জগদূত্রম হয় । আশ্রয় প্রত্যক্ষ হইলে, ভ্রম অপনীত হয় ; মরীচিকা প্রত্যক্ষ হইলে, তাহাতে আর জলভ্ৰম থাকে না ; তদ্রুপ ব্ৰহ্ম প্রত্যক্ষ । হইলে, তাহাতে আর জগদ্বভ্রম থাকে না ।” এইরূপে জগতের উৎপত্তি-প্রকরণ, স্থিতি- । প্রকরূপ এবং উপশম-প্রকরণ বর্ণনা করিয়া, মহর্ষি বশিষ্ঠ পরিশেষে নিৰ্ব্বাণ-মোক্ষের উপায় বর্ণন করিয়াছেন । তাহাতেও সেই গভীর দর্শন-তত্ত্ব প্রকটিত । জগৎ ও ব্রহ্মের অভিন্নতা প্রতিপাদন-ব্যপদেশে মহর্ষি বশিষ্ঠ বলিতেছেন,—“দ্বিত্ব ভাবনা ছাড় ; দেখিতে পাইবে,— শুধু সেই এক । দুইটা বিভিন্ন বস্তু ভাবি বলিয়াই, জল ও জলতরঙ্গ পৃথক নামে অভিহিত হইয়। থাকে । কিন্তু বাস্তবিক কি উহার স্বতন্ত্র ? মনোনিবেশ-সহকারে দেখ ; দেখিতে পাইবে, যেমন জল ও জলতরঙ্গ প্রকৃত একই বস্তু ; তদ্বৎ জানিবে,–সংসারে জ্ঞান বলিয়াও কিছু নাই ; অজ্ঞান ৰলিয়াও কোনও বস্তু নাই। শুধু তাহাই আছে—যাহা জ্ঞান-অজ্ঞান পরিহার করিয়া এক অপূৰ্ব্ব অবস্থায় অবস্থিত থাকে ...যেমন এই মহাকাশ ঘটের অত্যন্তরে থাকিয়া, ঘটাকাশ-রূপে পরিণত হইয়াও, বস্তুতঃ সেই মহাকাশ বলিয়া সৰ্ব্বদাই অবিনশ্বর ভাব ; তজপ এই ব্ৰহ্মাওরূপে পরিণত ব্ৰহ্মও সেই একমাত্র তিনি বলিয়াই নিত্য।...যেমন আয়ুস্কান্ত মণির সন্নিধি-মাত্রেই জড় লৌহপিণ্ড আপনাপনিই চেতনের যায় পশিত হয়, সেইরূপ এই অচৈতন্ত শরীর-দেহ তাহারই সাবলে সচেতন হয়। পরিশেষে মহর্ষি বলিতেছেন,—“জ্ঞানের জ্ঞেয়ভাব প্রাfপ্তর নাম-বন্ধন ; আর, সেই জ্যেভাবের নিবৃত্তির নাম—মুক্তি। সমগ্ৰঙ্কানরূপ প্রাপ্ত হইলেই, জ্ঞানের জ্ঞেয়-ভাব এাপ্তিরূপ ভ্রান্তি নিরস্তু হইয়া যায়। তখনই নিরাকার শান্ত-মূৰ্ত্তি আলির উপস্থিত হয়।.স্বয়ং-প্রকাশ চৈতন্তু স্বটি-সময়ে নিজেই একাগু (রুপ ) ও প্রকাশ উভয় ** প্ৰকাশ হন। এই যে জগৎ প্রতিভাত হইতেছে, ইহা আর কিছুই নহে ; আকাশ*পী চিং আকাশেই প্রকাশ পাইতেছেন। সেই চিতির স্বাক্ষপে বিকাশই হুট ; গংরি স্বষ্টিরূপে বিকাশের আদিও নাই, অন্তও নাই,--চিরকালই হইয়। আসিতেছে।”