পাতা:পৃথিবীর ইতিহাস - প্রথম খণ্ড (দুর্গাদাস লাহিড়ী).pdf/২৪৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


. . রামায়ণ ২৩৩ aহ বলিতে পারেন কি ? কেবল বাল্মীকির রামায়ণ কেন, প্রচলিত কোনও পুরাণে গুণেসেনের অস্তিত্ব সন্ধান করিয়া পাওয়া যায় না। এইরূপ, মহীরাবণ, জহিরাবণ, বীরবাহ প্রভৃতির যুদ্ধ-কাহিনীও বাল্মীকির রামায়ণে নাই। “ হনুমানের বিশল্যকরণী আনিতে । হাওয়ার সময়, কালনেমীর বাধা দেওয়া, স্বৰ্য্যকে হনুমানের বগলে লওয়া, ভরতের বটুলে হনুমানের পতন—এ সকল কথাও বাল্মীকিতে নাই। ঐরামচন্ত্রের দুর্গোৎসব, অকাল-বোধন প্রভৃতি লোক-প্রসিদ্ধ কাহিনী এবং রাবণ-বধে ভগবতীর পূজার নীলপদ্ম অমিয়ন ও একটা নীলপদ্ম কম পড়ায় শ্রীরামের চক্ষুরুৎপাটন করিতে যাওয়া,— এবংবিধ প্রসঙ্গও বাল্মীকির রামায়ণে দেখা যায় না। রাবণ-বধের পূৰ্ব্বে, বাল্মীকির রামায়ণে আছে—অগস্ত্য কেবল রামচন্দ্রকে আদিত্য-হৃদয়-নামক স্তব পাঠ করিতে বলেন, এবং রামচন্দ্র তদনুযায়ী স্বর্য্যের স্তব ও পূজা করেন। হনুমান কর্তৃক মন্দোদরীর নিকট হইতে গণকবেশে কৌশলে রাবণের মৃত্যুবাণ আনয়ন, হনুমান কর্তৃক রাবণের চণ্ডীপাঠ অশুদ্ধিকরণ, এবং মৃত্যুকালে রাবণ কর্তৃক রামকে রাজনীতি শিক্ষাদান (স্বর্গের সিড়ি নিৰ্ম্মাণ প্রভৃতি) ইত্যাদি—বাল্মীকি-রামায়ণের অন্তভুক্ত নহে। লঙ্কাকাণ্ডের আরও ক্ষুত্র ক্ষুদ্র অনেক কথা, কৃত্তিবাসের রামায়ণে পরিবর্তিত। ব্রহ্মার তপস্যা করিয়া কুম্ভকৰ্ণ ছয় মাস নিদ্রা ও এক দিন জাগরণের বর পাইয়াছিলেন বলিয়া কৃত্তিবাসে প্রকাশ ; কিন্তু বাল্মীকির রামায়ণে আছে,— কুম্ভকর্ণের জন্মের পরই তাহার দৌরাত্ম্যে ত্রিলোক অস্থির, ইত্র পরাস্ত এবং ব্ৰহ্মা ত্রস্ত হন ; আর সেই হেতু ব্ৰহ্মা তাহাকে উক্তরূপ নিদ্রা ও জাগরণের অভিশাপ প্রদান করেন। পঞ্চমতঃ—উত্তর-কাণ্ড । লক্ষ্মণের চতুর্দশ বর্ষের ফলানয়ন-কাহিনী, গরুড়-পবনের যুদ্ধ-কথা, স্বৰ্গ জিনিতে রাবণের গমন-কালে কুম্ভকর্ণের গমন, চৌষট্টি যোগিনী-সহ ঘোর যুদ্ধ,—এ সকল বৃত্তাস্তও বাল্মীকির রামায়ণে নাই। অধিক বলিব কি, এমন যে লব-কুশের যুদ্ধ-বৃত্তান্ত—তাহাও বাল্মীকির রামায়ণে বর্ণিত নাই। পদ্ম-পুরাণের পাতাল-খণ্ডে ঐ বিষয়ের উল্লেখ আছে বটে ; কিন্তু রামের সহিত লব-কুশের সাক্ষাৎ-সম্বন্ধে ষে কোনও যুদ্ধ হইয়াছিল, সে উল্লেখ সেখানেও নাই । এবংবিধ ঘটনা-পরম্পরা দেখিয়া মনে হয়, বাল্মীকির রামায়ণের অনুসরণে রচিত হইলেও, কৃত্তিবাসের রামায়ণের উপকরণ অপরাপর পুরাণ-উপপুরাণ এবং জনশ্রুতি হইতেও সংগৃহীত হইয়াছিল। রামায়ণ রচনায় কৃত্তিবাস যে সকল পুরাণের সাহায্য গ্রহণ করিয়াছিলেন বলিয়া মনে হয়, তন্মধ্যে— অধ্যাত্ম-রামায়ণ, অদ্ভুত রামায়ণ, দেবী-পুরাণ, দেবী-ভাগবত, কালিকাপুরাণ প্রভৃতির নাম উল্লেখযোগ্য। কৃত্তিবাসে প্রকাশ,—হরধনুৰ্ব্বঙ্গের পর পথিমধ্যে যখন পরশুরামের সহিত ইরাম প্রভৃতির সাক্ষাৎ হয়, তখন পরশুরাম দশরথকে সম্বোধন করিয়া বলিয়াছিলেন “মম সম করিয়া রাখিয়াছ পুত্র নাম ...জীর্ণ ধনু ভাঙ্গিয় যে দেখাইলা গুণ " . SSBBBB BBBBB BBBB BBBBB BBBBB BBBB BB BBBBB BBBBBS BB BS ননাদবধ কাব্য-রচনা-কালে মাইকেল মধুস্থানও এ সকল কথা জাত ছিলেন বলিয়া মনে হয় না। BS DDD DDBB SBBBDDD DDDBB BD DB BBBBB BBB BBBB BBBB BBS SSBBBBBSBBBBB BBBS BBBB BBBBBBSBBBBSSSBBBB BBBBtDS