পাতা:পৃথিবীর ইতিহাস - প্রথম খণ্ড (দুর্গাদাস লাহিড়ী).pdf/৩৮০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


శ్రీన్పీసీ* ভারতবর্ষ। " ছিল । তখন সমস্ত দেবগণের তেজঃ গ্রহণ করিয়া, দেবী ভগবতী আবিভূর্ত হইলেন। তিনিই সিংহ-বাহিনী মহিষমৰ্দ্দিনী । বহুতর দৈত্যসহ দেবীর সহিত রপে প্রবৃত্ত হইলে, দেবী মহিষাসুরের সংহার-সাধন করেন। শুম্ভ-নিশুম্ভ দৈত্য-ভ্রাতৃদ্বয় মহাবল-পরাক্রান্ত ছিলেন। তাহারাও দেবগণের রাজ্য অপহরণ করিয়া দেবগণকে হত-ঐ করিয়াছিলেন। দেবগণ, নিরুপায় হইয়। হিমালয়ে গিয়া,ভগবতীর শরণাপন্ন হইয়াছিলেন। তাহাতে দেবী শুম্ভ-নিশুম্ভের সংহার-সাধনে প্রবৃত্ত হন। প্রথমে গুন্থের সেনাপতি আর বষ্টি-সহস্র সৈন্ত সহ দেবীর সহিত যুদ্ধ করিতে আসে। দেবী তাহাদিগকে ভস্মসাৎ করেন। তৎপরে দৈত্যরাজ শুস্ত যথাক্রমে sఖీ মুক্ত ও যুক্তবীজকে সেনাপতি-পদে বরণ করিয়া, যুদ্ধে প্রেরণ করিয়াছিলেন। দেবী জগদ্ধাত্রী শূলদ্বারা তাহাদিগকে নিপাতিত করেন। অবশেষে শুম্ভ ও নিশুম্ভ যুদ্ধ-ক্ষেত্রে অবতীর্ণ হন তখন দেবী তাহাদিগেরও সহোর-সাধন করেন। দেবী-মাহাত্ম্য চণ্ডীতে দেবী ੋ ਸ਼ੋਸ਼ অক্ষরগণের সংহার-বিবরণ বর্ণিত আছে। দুর্গাস্থর দৈত্য – হিরণ্যাক্ষের বংশে জন্মগ্রহণ করে। তাহাকে কেহই যুদ্ধক্ষেত্রে পরাজিত করিতে পারিত না বলিয়া, সে ‘চুর্ণমাম্বর বা স্বর্গাস্বর’ নামে অভিহিত হয়। বেদই দেবগণের বল ;–মুতরাং বেদ বিলুপ্ত করিবার জন্যই তাহার প্রথম আকাক্ষ হইয়াছিল। ব্ৰক্ষার বরে বল-দৰ্শিত হইয়া, ব্ৰাহ্মণগণকে সে বেদ-মন্ত্র বিশ্নরণ করাইয়া দেয়। তার পর, দেবগণকে পরাজিত করিয়া, দুর্গালুর অমরাবতী নগরী অধিকার করে। তখন বঙ্গ-কৰ্ম্মের অভাবে ভূতলে বৃষ্টির অভাব হয়। উপন্ধু পরিশত বৎসর অনাবৃষ্টি-নিবন্ধন পৃথিবীতে ভীষণ তুর্ভিক্ষ উপস্থিত হওয়ায় প্রাণি হানি ঘটিতে থাকে। অগত্য ব্রাহ্মণগণ হিমালয়ে গমন-পূর্বক দেবীর শরণাপন্ন হন। তাহাতে তগবতী দুর্গ সেই অমুরের সংহার-সাধনে প্রবৃত্ত হইয়াছিলেন। দূত-মুখে দেবীর যুদ্ধায়োজন বৃত্তাস্ত অবগত হইয়া, সহস্র অক্ষৌহিণী সৈন্য সহ দুর্গমামুর যুদ্ধে প্রবৃত্ত হয়। সেই যুদ্ধে দেব-দ্বিজগণ প্রথমে সকলেই শঙ্কান্বিত হইয়াছিলেন। কিন্তু দেবী, সকলের শঙ্ক। দূর করিয়া, দুর্গমামুর ও তাহার অনুচরগণকে নিহত করেন । এই দুর্গাস্থর সংহারহেতুই দেবীর ‘দুর্গ" নামের প্রসিদ্ধি। তারকাসুর ও ত্রিপুরাসুর দৈত্যদ্বয়ও দেবগণকে বিত্ৰত করিয়া তুলিয়াছিল। দেবগণ তাহাতে মহাদেবের শরণাপন্ন হম। মহাদেব স্বয়ং ত্রিপুরমুরকে বধ করেন ; তাহাতেই তাহার ‘ত্রিপুরারি' ত্রিপুরান্তক’ নাম । তারকাসুরকে দেবসেনাপতি কান্তিকের সংহার করিয়াছিলেন। তারকাসুর সংহারের জন্ত কাৰ্ত্তিকেয়ের জন্ম হয় । তারকামুরকে বধ করিয়াই তিনি তারকারি’ নামে অতিহিত হন । গয়াস্থরপরম বিষ্ণুভক্ত ছিলেন। বিষ্ণুর আরাধনা করিয়া, সকল পদার্থ অপেক্ষ তিনি আপন শরীরের পবিত্রত লাভ করিয়াছিলেন। তাহাকে স্পর্শ মাত্র:প্রাণিগণ চতুভূজ হইয়া বৈকুণ্ঠ লাভ কৱিত। কিন্তু তাহাতে যমপুরী প্রাণি-পূত হয় দেখিয়া, দেবগণ কৌশলে গয়াস্থরকে নিশ্চল করেন। পরিশেষে দেবতাগণের বরে গয়াসুর, গয়াক্ষেত্রে শিলারূপে অবস্থিত হয় । বত কাল চজ-স্বৰ্য-পৃথিবী, তত কাল সেই শিলায় সৰ্ব্বদেবগণ অবস্থিতি করিবেন-ইহাই স্থির হইয়া যায়। গয়াতীর্ষের—গয়ামাহায্যের ইহাই মূল তত্ব। গয়াজত্বের এভাবে গন্ধার মাহাত্ম্য এতই বৃদ্ধি পাইয়াছে যে, গয়া-ক্ষেত্র-এক্ষণে যুক্তি-ক্ষেত্রে পরিণত । કરે