পাতা:পৃথিবীর ইতিহাস - প্রথম খণ্ড (দুর্গাদাস লাহিড়ী).pdf/৩৯২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


1 ভারতবর্ষ ه موانية কুকুৎস্থ হইতে রঘু উৎপন্ন হন,–লিখিত আছে। আবার শ্ৰীমদ্ভাগবতে দেখিতে পাই, বিকুক্ষির পুত্ৰ কাকুৎস্থ নামে পরিচিত। এখন কোন বংশলতা অভ্রাস্ত, কে নির্দেশ করিবে ? এ সকলের আলোচনায়, এক জনকে অপরের পুত্র না বলিয়, তাহার বংশসমূহ বলাই শ্রেয়ঃ নহে কি ? কুকুংস্থের পুত্রের নাম—ব্রহ্মপুরাণে, বিষ্ণুপুরাণে, খ্রীমদ্ভাগবতে, হরিবংশে—“আনেন’ ; কিন্তু অগ্নিপুরাণে সুযোধন’, শিবপুরাণে “অরিনাভা, দেবীভাগবতে ‘কাকুৎস্থ । বৃহদ্ধৰ্ম্মপুরাণে—ইক্ষাকুর পুত্র শশাদ, এবং শশাদের পুত্র পুরঞ্জয় নাম উল্লিখিত হইয়াছেন। শ্ৰীমদ্ভাগবতে-কাকুৎস্থ, পুরঞ্জয় বা ইন্দ্রবাহু একই ব্যক্তি বলিয়া পরিকীর্তিত । ভিন্ন তিন্ন পুরাণের কথাই বা বলিব কি ? –এক বাল্মিকীর রামায়ণ-গ্রন্থের দুই স্থানে স্বৰ্য্যবংশের দুইরূপ বংশ-তালিকা দৃষ্ট হয়। রামায়ণের আদিকাণ্ডে, সপ্ততিতম সর্গে, বৈদেহ-জনকের নিকট মহর্ষি বসিষ্ঠ স্বৰ্য্যবংশ কীৰ্ত্তন করিতেছেন। আবার সেই বলিষ্ঠ কর্তৃকই অযোধ্যা-কাণ্ডের দশাধিক শততম সর্গে শ্রীরামচন্দ্রের নিকট সেই সূৰ্য্যবংশের বিষয় বিবৃত হইতেছে। একই বসিষ্ঠের উক্তিতে দুই স্থলে দুই রূপ বংশপৰ্য্যায় উল্লিখিত হইয়াছে। আদি-কাণ্ডে আছে,—“প্রশুশ্রীক হইতে অস্বরাষ, তাহার পুল মহষ, নহুষের পুত্র যযাতি, যযাতির পুত্র নাভাগ, নাভাগের পুত্র অজ, অজ হইতে দশরথ উৎপন্ন হন।” কিন্তু অযোধ্যা-কাণ্ডে দেখিতে পাই,—“প্রণ্ডশ্রবের পুত্র অস্বরীব, অস্বস্ত্রীষের পুত্ৰ নহুষ, নহুষের পুত্র নাভাগ, নাভাগের দুই পুত্র-অঙ্গ ও সুব্রত।” এক রামায়ণেরই দুই স্থলে দুইরূপ । রামায়ণের সহিত অন্য পুরাণের যে অনেক অসামঞ্জস্য হইবে, তাহ সহজেই বুঝিতে পারা যায় না কি ? রামায়ণে রযুর পরবত্তী ত্রয়োদশ গৰ্য্যায়ে স্ত্রীরামচন্দ্র বিদ্যমান ; তিনি । নাভাগের বৃদ্ধ-প্রপৌত্র । কিন্তু ব্ৰহ্মপুরাণে, দিলীপের বৃদ্ধপ্রপৌত্র-রাম ; তিনি রযুর প্রপৌত্র, অজের পৌত্র এবং দশরথের পুল। বিষ্ণুপুরাণে আবার আর এক পুরুষ পরে ঐরামচন্দ্রের বিদ্যমানত দৃষ্ট হয়। সেখানে বিশ্বসহের পুত্র দিলীপ, তৎপুত্র দীর্ঘবাহু, তংপুত্র রঘু, তংপুত্র অঙ্গ, তৎপুত্র দশরথ, তৎপুত্র রাম, ইত্যাদি । হরিবংশের সহিত ব্ৰহ্মপুরাণের এই অংশে মিল আছে ; কিন্তু অগ্নিপুরাণে আবার দেখি,-রযুর পুল্ল দিলীপ, তৎপরে অঙ্গ, তৎপরে দীর্ঘবাহু, তৎপরে অজপাল, তৎপরে দশরথ, তৎপরে রামচন্দ্র। রামায়ণে এস্থলে দিলীপের বা রঘুর কোনই নাম-গন্ধ নাই। রামায়ণে দশরথের উৰ্দ্ধতন ত্রয়োদশ পুরুষে রঘুর এবং ষোড়শ পুরুষে দিলীপের অস্তিত্ব বিদ্যমান। সেখানে দিলীপ, অংশুমানের পুত্র এবং ভগীরথের পিতা বলিয়। উক্ত হইয়াছেন। শ্ৰীমন্তাগবতের মতে,-খট্রাঙ্গের পুত্র দীর্ঘবাহু, তৎপুত্র রঘু, তৎপুত্র অঙ্গ, তৎপুত্র দশরথ এবং দশরথের পুত্র শ্রীরামচন্দ্র। রামায়ণে দেখিতে পাই—ব্রহ্মার অধস্তন চত্বারিংশ পুরুষে শ্রীরামচন্দ্রের পুল্ল কুখ বিদ্যমান। ব্ৰহ্মপুরাণে যষ্টিতম পুরুষে, বিষ্ণুপুরাণে উনসপ্ততিতম পুরুষে, হরিবংশে

  • এই গ্রন্থের ২৯২ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত বংশলতায় দিলীপের পুত্র ভগীরথ এবং ভগীরথ হইতে কুকুৎস্থ ও কুকুৎস্থ হইতে রষ হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু যে রামায়ণ হইতে ঐ বংশলতা সঙ্কলিত হয়, তাহাতে ঐ DD DD BBB DDD DDS DDD BBBS BBBB BBBB BHttttttBB BB BBBS BBBS পৰ কুকুৎস্থ এবং কুকুৰহের পর সুস্থ পাঠ ঠিক করিয়া লইৰেন । . . . . . . .