পাতা:পৃথিবীর ইতিহাস - প্রথম খণ্ড (দুর্গাদাস লাহিড়ী).pdf/৪১৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অন্যান্য নৃপতিগণ ৪•৭ ঙাহার সম্বন্ধেই কত মতান্তর! আমাদের প্রকাশিত বংশ-লতায় তাহার সম্বন্ধে ফি অসামঞ্জস্য বিদ্যমান, পূর্বেই আমরা তাহার উল্লেখ করিয়াfছ। মহাভারতে আবার দেখিতে পাই,--দিবোদাসের পিতামহ হৰ্য্যশ্ব নামে পরিচিত। দিবোদাস-কাশীরাজ মুদেবের পুত্র। বাতহব্য-বংশীয় শূরগণ কর্তৃক উৎপীড়িত হইয়া, বংশনাশ-ভয়ে, মহীপতি দিবোদাস, বৃহস্পতির জ্যেষ্ঠ পুত্র ভরদ্বাজ ঋষির শরণাপন্ন হইয়াছিলেন। সেই ঋষির যজ্ঞ-প্রতাবে, প্ৰতর্দন নামে তাহার এক পুত্র-সন্তান জন্মগ্রহণ করে । সেই পুত্র, জন্মমাত্র সস্তঃত্রয়োদশবর্ষীয় পুরুষের ন্যায় বন্ধিত হইয়াছিল এবং অল্প দিনেই সমস্ত বেদ-ধম্বুৰ্ব্বেদ শিক্ষা করিয়াছিল। এতদনের সহিত যুদ্ধে রাজা বীতহব্যের পুত্ৰগণ পরাজিত হয় । “তাহারা শত সহস্ৰ ভল্লাস্ত্র দ্বারা ছিন্ন-মস্তক ও রুধিরা হইয়। নিকৃত্ত কিংশুকের দ্যায় ধরাতলে পতিত হইয়াছিল। তনয়গণ নিহত হইলে, বীতহব্য মহর্ষি ভৃগুর শরণাপন্ন হন। প্রতদন পশ্চাদমুসরণ করিয়াছিলেন । কিন্তু নৃপতির প্রাণ-রক্ষার জন্য প্রতদনকে প্রতিনিবৃত্ত করিয়া, মহর্ষি ভৃগু বলিয়াছিলেন,-“এখানে কোনও ক্ষত্রিয় নাই। এখানকার সকলেই ব্রাহ্মণ ।’ আশ্রিত জনের রক্ষার জন্য ভূগুর বাক্য শ্রবণ করিয়া, প্রতদন সন্তুষ্ট হন । আপন প্রভাবে নৃপতি বীতহব্যকে স্বজাতি-ত্যজিত করিতে পারিলেন বলিয়াও প্রতদনের আনন্দের অবধি রহিল না । এদিকে, ভৃগুর অনুগ্রহে বীতহব্য ব্রহ্মধিত্ব ও ব্রহ্মবাদিত্ব লাভ করিলেন। জন্মান্তরের পুণ্যফলে ক্ষত্রিয়ের ব্রাহ্মণত্ব লাভ হইল। বঁীতহব্যের ইন্দ্রের স্তায় সৌন্দৰ্য্য-সম্পন্ন গৃৎসমদ নামে এক পুত্র ছিলেন । র্তাহাকে ইন্দ্ৰ-ভ্ৰমে দৈত্যগণ এক-বার বন্ধন করিয়া লইয়। গিয়াছিল। গৃৎসমদ ব্রহ্মধি হইয়াছিলেন ; তাহার পুত্র মুতেজাও ব্রাহ্মণ হন। বীতহব্যের বংশ–“শৌনক-ব্রাহ্মণ-বংশ’ নামে বিখ্যাত । তাহার বংশ-লতা এইরূপ — | གནང་བ། বর্চ ན་།། * : ༣༨ཀ་བ་ ਜਿਵੇਂ मछु প্রকাশ * হতেজা ਿੲ। ॐ बाँकवि ੱਖ ुनरु | ८ोमरु চন্দ্রবংশের বংশ-লতার মধ্যে এক গৃৎসমদের নাম দৃষ্ট হয়। তাহার বংশেও শৌনকব্রাহ্মণগণের উৎপত্তি-বিবরণ দেখিতে পাই। সে গৃৎসমদ-স্থহোত্রের (মুনহোত্রের ) পুত্র এবং কাশ বা কাপ্তের ভ্রাতা বলির পরিচিত। কিন্তু সে সকল বংশ-লতায় ৰীতহব্যের নাম কোথাও নাই। প্রতদন যে দিবোদাসের পুত্র, তদ্বিষয়ে প্রায় মতান্তর দেখি না। তবে, তাহার পর্য্যায় সম্বন্ধে বড়ই অনৈক্য। বিষ্ণুপুরাণে আয়ু-পুত্র । ক্ষত্রম্বন্ধের বংশে ষোড়শ পর্য্যায়ে প্রতর্জন বিদ্যমান। হরিবংশে প্রতদন দুই জন। এক জন— আয়ুপুত্র অনেমার বংশে ; অপর এক জন-পুরুবংশে। এক জনের পর্য্যায়-বড়বিংশ ; অপর জনের পর্য্যায়-বাত্রিংশ। ব্ৰহ্মপুরাণেও দুই প্রতদন ! প্রথম—ম্বনেমার বংশে বড়বিশে পৰ্য্যায়ে ; দ্বিতীয়-পুরুবংশে ত্রিংশ পৰ্য্যারে। অথচ, আশ্চর্য্যের ৰিষ্য-সকল স্থলেই