পাতা:পৃথিবীর ইতিহাস - প্রথম খণ্ড (দুর্গাদাস লাহিড়ী).pdf/৪৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বেদ-চতুষ্টয় । \○ 。 ৬২২ট ; উহার শব্দ-সংখ্যা—১ লক্ষ ৫৩ হাজার ৮২৬টী ; শব্দাংশের সংখ্যা— ৪ লক্ষ ৩২ হাজার । কিন্তু অনেকের দৃষ্টিতে ইহার ইতর-বিশেষ লক্ষিত হয় । বিষ্ণুপুরাণ এবং শ্ৰীমদ্ভাগবৎ প্রভূতিতে • বর্ণিত আছে,-বেদব্যাস বেদ-বিভাগ করিয়া পৈলকে ঋগ্বেদ-সংহিতা প্রদান করিয়াছিলেন ; বৈশম্পায়ুনকে যজুৰ্ব্বেদসংহিতা, জৈমিনিকে সামবেদ-সংহিতা এবং সুমস্তকে অথৰ্ব্ববেদ-সংস্থিত। শিক্ষা দিয়াছিলেন। পৈল আবার ঋক-সংহিতাকে দুই ভাগে বিভক্ত করিয়া ইন্দ্রপ্রমতি ও বাস্কলি ( বাস্কল ) নামক আপন শিস্যদ্বয়কে তাহ প্রদান করেন। বোঁধ্য, অগ্নিমাঠার (অগ্নিমিত্র ), যাজ্ঞবল্ক্য ও পরাশর নামে বাস্কলির চারিজন শিন্য ছিলেন। বাঙ্কলি আপনার অধীত বেদ-সংহিতাকে চারি ভাগে বিভক্ত করিয়া, সেই চারি ভাগ আপনার চারি শিষ্যকে শিক্ষা-দান করেন । ইন্দ্র প্রমতি যে সংহিতা অধ্যয়ন করিয়াছিলেন, আপন পুত্র মাণ্ডুকেয়কে তাহ অধ্যয়ন করান। মাতুকেয় হইতে ক্রমশঃ তাহার পুত্র শাকল্য এবং শিয় বেদমিত্র (মতান্তরে দেবমিত্র ) ও পৌভরি প্রভৃতির মধ্যে উহ। প্রচারিত হয় । শাকল্য আবার পাঁচখানি সংহিতা সঙ্কলন করিয়া, মুদগল, গলব, বাৎস্য, শলীয় ও শিশির নামক পাঁচ জন শিষ্ণুকে তদ্বিষয়ে উপদেশ দেন । এইরূপে ঋগ্বেদ-সংহিতা নানা ভাবে নানা শাখায় বিভক্ত হইয় পড়ে। শাখা-অনুসারে মণ্ডল ও অনুবাক প্রভৃতিরও নাম পরিবর্তন দৃঃ হয়। শৌনক মুনি স্বরচিত চরণ-বৃহি’ গ্রন্থে লিখিয়া গিয়াছেন,—“ঋগ্বেদের আটটা ভেদ বা স্থান আছে । তাহ যথাক্রমে চর্চ, শ্রাবক চর্চক, শ্রবণীয় পার, ক্রমপার, ক্রমজট, ক্রমরথ, ক্রমশট, ক্রমদও নামে অভিহিত হয়। ঐ ভেদ-সমূহ চারিট পারায়ণে বিভক্ত। ঋগ্বেদের শাখাপাঁচটা । তাহদের নাম,—আশ্বলায়িনী, সাস্থ্যায়নী, শাকলা, বাস্কলা ও মাখুক । উহার অধ্যায় –চৌষট্রিট ; মণ্ডল--দশটী ; বর্গ-সংখ্যা—দুই হাজার ছয়ট ; স্থক্তের পরিমাণ— এক হাজার সতে ফুট ; পদক্রম— বাশিষ্ঠের ১ লক্ষ ৫২ হাজার ৫১৪টী ; অপরের ৫৮টী । ঋকের ১৯ হাজার ৫৮০ পদ—পারায়ণ নামে অভিহিত । প্রথম অষ্টকে এক বর্গ ও এক ঋক্, দ্বিতীয় অষ্টকে দুই বর্গ ও দুই ঋক, তৃতীয়ে এক শত ঋক, চতুর্থে এক শত পচাত্তর ঋক, পঞ্চমে এক হাজার দুই শত পয়ত্রিশ ঋক, ষষ্ঠে তিন শত ঋক, সপ্তমে কুড়ি খুক, অষ্টমে পঞ্চাল্প খক,—পাঁচটা শাখায় সৰ্ব্বশুদ্ধ দুই হাজার দশট ঋক।” চরণ-ব্যুহের মতে,—“বেদের অনেক অধ্যায় এখন পাওয়া যায় না । কালক্রমে তৎসমুদায় বিলুপ্ত হইয়াছে । ঋগ্বেদের শাখা-সম্বন্ধেও এইরূপ মতদ্বৈধ দৃষ্ট হয়। প্রধানতঃ পাঁচটা শাখা বলিয়া পরিচয় পাওয়া যায় বটে ; কিন্তু কোথাও কোথাও একুশটি শাখারও উল্লেখ আছে ৷ হইতে পারে-সেগুলি । উপশাখা ; কিন্তু পাচ শাখাও এখন যে সন্ধান করিয়া পাওয়া যায় না, তাহ বলাই বাহুল্য। শাকলের শাখাই এখন প্রচলিত বলিয়। অনেকে বিশ্বাস করেন । নির্দিষ্ট আছে,— BBB SBBB BBBSBBBSAS DBB BBBS HBBB HHBB BBBSBBBS ১৫ হাজার ৩৮১টি । যাহাই হউক, আমরা নানা গ্রন্থ আলোচনা করিয়া

  • বিষ্ণুপুরাণ, তৃতীয় ও চতুর্থ অধ্যায় এবং শ্ৰীমন্তাগৰৎ স্বাদশ স্কন্ধ ষষ্ঠ অধ্যায়ে এই বিবরণ বিশদভাৰে বর্ণিত আছে । অন্যান্য মহাপুরাণেও ইহার উল্লেখ দেখিতে পাওয়া যায়। -