পাতা:পৃথিবীর ইতিহাস - প্রথম খণ্ড (দুর্গাদাস লাহিড়ী).pdf/৪৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


○8 বর্ষ । अकहे नयtग्न मांनी हां८म टैंॉशिंद्र छैनश्ििठ श्रनछव । किड़ भज्ञहै बलि ८मराङ श्न, ठांश হইলে একই সময়ে সৰ্ব্বত্রই কাৰ্য্যসিদ্ধি সম্ভবপর ” জৈমিনির এই মত যে সৰ্ব্ববাদিসশ্বক্ষ, তাহা নহে। দেবতা ও ঋষি-অসংখ্য ও অগণ্য। তাহদের পূজা-পদ্ধতিও তদনুরূপ বিভিন্ন প্রকারের। অন্ততঃ শাস্ত্রান্থশাসন-পরিচালিত হিন্দু তাহাই মান্ত করিয়া থাকেন। পূৰ্ব্বে বলিয়াছি,—বেদই হিন্দুর ধৰ্ম্ম, বেদই হিন্দুর কৰ্ম্ম, বেদই হিন্দুর হিন্দুত্ব । এক কথায়, যিনি বেদের প্রামাণ্য স্বীকার করেন,—তিনিই হিন্দু-নামে অভিহিত হন । হিন্দু হইতে হইলে, বেদ মানিয়া চলিতে হয়। বেদ মানিয়া চলার অর্থ— বেদোক্ত ধর্ম। বর্ণাশ্রম মানিতে হয়, অদৃষ্ট মানিতে হয়, মন্ত্রশক্তি মানিতে হয়। বেদমানীর ইহাই,তাৎপৰ্য্য । যিনি বেদ মানেন, তিনি নিশ্চয়ই বর্ণাশ্রমধৰ্ম্ম মানেন ; যিনি বেদ মানেন, তিনি নিশ্চয়ই অদৃষ্ট্রে বিশ্বাস করেন ; যিনি বেদ মানেল, তিনি নিশ্চয়ই মন্ত্র-শক্তিতে আস্থাবান আছেন । ইহাই হিন্দুর লক্ষণ—ইহাই হিন্দুর BBBBS BB BBBB BBBS BBSBBB BBBB BBBS BBBB BBBBDS কিন্তু ঈশ্বরের অস্তিত্ব স্বীকার করেন নাই ; তিনিও আস্তিক হিন্দুর উচ্চ আসন প্রাপ্ত হইয়াছেন ; আবার, কেহ বেদ মানেন নাই, অথচ ঈশ্বরের অস্তিত্ব স্বীকার করিয়াছেন,--তিনি নাপ্তিক অহিন্দু নামে অভিহিত হইয়াছেন। দৃষ্টান্ত-স্থলে, সাংখ্যকার মহর্ষি কপিল এবং বৌদ্ধমত-প্রচারক গৌতম মুনির নাম উল্লেখ করা যাইতে পারে। মহর্ষি কপিল, ঈশ্বরের অস্তিত্ব স্বীকার না করিয়াও, একমাত্র বেদ মানিয়াই হিন্দুর আদর্শ-আসন প্রাপ্ত হইয়াছিলেন ; আর গৌতম মুনি, ঈশ্বরের অস্তিত্ব স্বীকার করিয়াও, বেদ অমান্ত করায়, নাস্তিক-সংজ্ঞ লাভ করিয়াছিলেন। স্কুলতঃ, বেদ-মানাই হিন্দুর ধৰ্ম্ম । বেদোক্ত ধৰ্ম্মই—হিন্দুধৰ্ম্ম । বেদের প্রামাণ্য স্বীকার করিয়া চলিতেন বলিয়াই হিন্দুগণ আর্য্য-হিন্দু নামে অভিহিত । বর্ণাশ্রম, অদৃষ্ট, মন্ত্রশক্তি,—সকলই বেদাযুগত। হিন্দু বিশ্বাস করেন,—জাতি-বর্ণ কখনই মঙ্গুষ্যের স্বাক্ট নহে,— উহা ঈশ্বরই স্বষ্টি করিয়াছেন। হিন্দু বিশ্বাস করেন,— জন্মান্তরের কৰ্ম্মফলই অদৃষ্ট-রূপে প্রতিভাত হয়। মনুষ যখন মৃত্তিক-মধ্যে বীজ-বপন করে, মৃত্তিক-প্রোথিত বীজ কিছুকাল পর্য্যস্ত দৃষ্টর অগোচরে অ-দৃষ্ট থাকে ; ক্রমশঃ, অম্বুরাদি উগত হইলে, সেই অ-দৃষ্ট বীজের পরিচয় পাওয়া যায়। হিন্দুর বিশ্বাস—যমুন্যের কৰ্ম্মফল যুক্তিক-প্রোথিত বীজ-রূপেই অ-দৃষ্ট থাকে, এবং যথা-সময়ে যমুন্য জাহার ক্ষলভাগী হয়। এইরূপ, মন্ত্রশক্তি ও হিন্দুর দৃষ্টিতে অলৌকিক শুভফলপ্রদ। হিন্দুর বিশ্বাস,-বিশুদ্ধ-চিত্তে বিশুদ্ধ-মন্ত্ৰে অভীষ্ট-দেবতাকে আহবান করিলে, নিশ্চয়ই তিনি সদয় হইয়া যমুন্যের ইহ-পরকালের সকল মঙ্গল ৰিধান করেন। বেদ হইতে হিন্দু প্রধানতঃ এই শিক্ষাই পাইয়া থাকেন। তাহার অন্যান্ত যে কিছু শিক্ষা, তাহাও এই শিক্ষারই অঙ্গীভূত । প্তাহার অধিকারিভেদের বীজমন্ত্রও এই বেদেই নিহিত আছে। বৈদিক স্তোত্র-সমূহে দেখিতে পাই,-হিন্দু ইন্দ্রের উপাসনা করিতেছেন, হিন্দু বায়ুর উপাসনা করিতেছেন, হিন্দু অগ্নির উপাসনা করিতেছেন, হিন্দু জলের উপাসনা করিতেছেন,—হিন্দু কত কত দেবতার