পাতা:পৃথিবীর ইতিহাস - প্রথম খণ্ড (দুর্গাদাস লাহিড়ী).pdf/৪৭২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


8'&డి ভারতবর্ষ। পাই ন বটে ; মহু কেবল ব্রহ্মচর্য্যের বিষয়ই আলোচনা করিয়া গিয়াছেন সত্য ; কিন্তু বিষ্ণু-সংহিতায়, পরাশ্বর-সংহিতায়, দক্ষ-সংহিতায়, সহমরণের উল্লেখ বিশেষ-রূপেই দেখিতে পাই । * রামায়ণে বহু সতীর সহমরণের কথা কীৰ্ত্তিত আছে । দশরথের মৃত্যুর পর কৌশল্য-দেবী সহমরণের আকাঙ্ক্ষ প্রকাশ করিয়াছিলেন। অশোক-বনে স্ত্রীরামচন্দ্রের মায়ামুগু-দর্শনে সীতাদেবী আক্ষেপ করিয়া অনুগমনের কথা কহিয়াছিলেম। বেদবতীর জননী পতির অনুগমন করিয়াছিলেন,– রামায়ণের উত্তর-কাণ্ডে তাহার পরিচয় পাই । শ্ৰীকৃষ্ণের আট জন প্রধান মহিষী সহমৃতা হইয়াছিলেন ; পাণ্ডু রাজার পরলোক-প্রাপ্তিতে মাত্রী সহগমন করেন ; মহারাজ কংসের পত্নী সহমরণে গমন করিয়াছিলেন। স্বায়স্তৃব মমুর বংশধর রাজচক্রবর্তী পৃথুর মহিষী সাধ্বী অৰ্চি সহমৃতা হইয়াছিলেন। পৃথ্বীপতি সগর রাজার জননী সহমৃতা হইবার জন্য চিতানল প্রজ্জ্বলিত করিলে, মহর্ষি ঔৰ্ব্ব র্তাহাকে প্রতিনিবৃত্ত করিয়াছিলেন। তিনি গৰ্ত্তবতী ছিলেন বলিয়া, চিতানলে প্রবেশের অব্যবহিত পূৰ্ব্বে, তাহাকে বাধা দেওয়া হইয়াছিল। সহমরণ সম্বন্ধে এইরূপ বহু দৃষ্টান্তই শাস্ত্রে দেখিতে পাই। এদিকে আবার ব্রহ্মচর্য্যের দৃষ্টান্তেরও অবধি নাই। সুতরাং বিধবার পক্ষে সহমরণ এবং ব্রহ্মচর্য্য উভয়ই প্রাচীন ভারতে প্রচলিত ছিল,—বুঝিতে পারা যায়। পরিশেষে, ১৮২৯ খৃষ্টাব্দে, এই সহমরণ-প্রথা রহিত হইয়াছে । মৃতের অগ্নি-সৎকার, অস্থি-সঞ্চয়, প্রেতকৃত্য প্রভৃতি সম্বন্ধে এখন যেরূপ পদ্ধতি-পরম্পরা বিদ্যমান, তাহাও প্রাচীন-কালের অসুস্থতি মাত্র । ফল কথা, কি সদাচার, কি কদাচার,-যে বিষয়েরই অনুসন্ধান করি না কেন, কোনও বিষয়েরই দৃষ্টান্তাভাব ভারতবর্ষের পুরাতত্বে দেখিতে পাওয়া যায় না। ধিনি যেরূপ দৃষ্টিতে অনুসন্ধান করিবেন, তিনি সেইরূপ সামগ্রীই প্রাপ্ত হইবেন । ভারতের অনস্ত ইতিহাস এতই অভিনব সামগ্ৰী অঙ্কে ধারণ করিয়া আছে । জ্ঞান-বিজ্ঞানের উন্নতির পরিচয় তারতের পুরাতত্ত্বে স্তরে স্তরে সুসজ্জিত। ভারতে জ্ঞান-বিজ্ঞানের কি উন্নতিই না সাধিত হইয়াছিল! মৃতের পুনৰ্জ্জীবন-লাভ—অভাবনীয় অচিন্ত্য অসম্ভব ব্যাপার-ভারতের পুরাবৃত্তে অনেক স্থলেই দেখিতে পাই । দৈত্যগুরু শুক্রাচাৰ্য্য মুত-সঞ্জীবনী বিদ্যা-প্রভাবে রণাহত মৃত দৈত্যগণকে পুনৰ্জ্জীবিত করিতেন । ইন্দ্র কর্তৃক দধীচি মুনির মস্তক-ছেদের পূৰ্ব্বে ও পরে, দেৰবৈল্প অধিনীকুমারদ্বয় তাহার নূতন মন্তক সংযোজন করিয়া দিয়াছিলেন। কুী-লবের সহিত যুদ্ধে সসৈন্য শ্রীরামচন্দ্র নিহত হইলে, মহর্ষি বাল্মীকি সঞ্জীবনী-মন্ত্র প্রভাবে উiহাদিগকে পুন জীবিত করিয়াছিলেন। বক্রবাহনের সহিত যুদ্ধে অর্জুন প্রাণত্যাগ করিলে, নাগাজ-তনয়। উলুপী সঞ্জীবনী মণি-ম্পর্শে তাহার প্রাণদানে সমর্থ হইয়াছিলেন। অনুসন্ধান করিলে এতাদৃশ শক্ত শত দৃষ্টান্ত প্রদর্শন করা যাইতে পারে। অবিশ্বাসী বিশ্বাস করিতে না পারেন ; কিন্তু যাহার শাস্ত্ৰ-তত্ত্বে আস্থাবান, তাহারা নিশ্চয়ই এ সকল বিষয় অবিশ্বাস করতে পারেন না। অতি-বৃদ্ধ জরাজীর্ণ অস্থি-কাল-সার চ্যবন ঋষির নবযৌবন লাভ, BB BB BBBB BBB BSBB BBB BB DDBBBBSBB BBBB SS S BB BBB BB BBB BBB BBBBStDDD DDDS DDDDD DBBDD DDDDS 零钝ৰিঙ্গালোক্সক্তি ।