পাতা:পৃথিবীর ইতিহাস - প্রথম খণ্ড (দুর্গাদাস লাহিড়ী).pdf/৫৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


8૭ ভারতবর্ষ। তাই দেখিতে পাই, মাদ্রাঞ্জী খৃষ্টানগণ অনেকেই এখন শিখ ধারণ করে এবং দেবদেবীর পুজা করিয়া থাকে। তাহাদিগের ধারণ।--তাহার ধৰ্ম্মান্তর গ্রহণ করিয়াছে বটে, কিন্তু জাতিত্যাগ করে নাই। বর্ণ, ব্রাহ্মণ, বিপ্র, ক্ষত্রিয় প্রভৃতি শব্দ-বেদে একাধিক বার উল্লেখ দেখিতে পাওয়া যায়। তৃতীয় মণ্ডলের চতুস্ত্রিংশ সূত্রে বিশ্বামিত্র ঋষি ইন্দ্র BBBB BBBBSBBB BBBBBSBB BBB B BBB BB BBBS BBB S BBBB BBBB BBB BB BBBBBDDSAAA BB BBS BBB BBBBB BBS সাধন করিয়া আর্য্যবর্ণ অর্থাৎ ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশু প্রভৃতি জাতিকে রক্ষা করুন।” র্যাহারা জাতি-ভেদ মানিতে চাহেন না, তাতারা কৌশলে উক্ত সূক্তস্তর্গত বর্ণ শব্দটিকে একরূপ উড়াইয়া দিবার চেষ্টা পাইয়াছেন বলিলেও অতু্যক্তি হয় না । তাহারা বলেন,— “সায়ণের অর্থ ঠিক নহে ; ঋগ্বেদের সময় দুই জাতি ছিল -আর্য্যজাতি ও অনার্য্যজাতি । এখানে ‘বর্ণ শব্দে তাহাই বুঝাইতেছে।" - ইহার উপর বাঃ নিম্পত্তি বাহুল্য BBB S BBBSBBBBB BBBS BBBB BBB BBBBB BBBB BBBS BBBB BBB বলিহারি যাই ! বিপ্র ও ব্রাহ্মণ শব্দের অর্থ, তাহার করিয়াছেন—স্তোত্র-রচয়িত । ক্ষত্রিয়-শব্দের অর্থ করিয়াছেন,-বীৰ্য্যবান। অথচ, বেদে যে যে স্থলে ঐ সকল শব্দের প্রয়োগ আছে, তত্তৎস্থলে সায়ণাচার্য্যের অর্থ গ্ৰহণ করিলে, ঐ সকল শব্দে, ব্রাহ্মণ ক্ষত্রিয়াদি বর্ণের ভাবই মনে উদয় হয় । সপ্তম মণ্ডলের উননবতি স্থক্তে বরুণের উপাসন আছে । সেই উপাসনায় তাহাকে ‘রাজা’ বলা হইয়াছে এবং তিনি ‘মুক্ষত্র’ বিশেষণে বিশেষিত হইয়াছেন । সুক্তটা পাঠ করিলে, সেই বরুণ রাজাকে কোনও ক্ষত্রিয় রাজা বলিয়া মনে হইতে পারে । কিন্তু, পাছে ‘ক্ষত্রিয়’ বর্ণের স্বষ্টির কথা স্বীকার করিতে হয়,—এই DYSBBBBSBBBBB SBBBS BBB BBS BBBBS BBDDD S DBB BBBB বিষয় নহে কি ? যাহা হউক, সায়াণাচাৰ্য্য প্রভৃতির ভাস্যে উপেক্ষ। প্রদর্শন করিয়া, আধুনিক পাশ্চাত্য-ভাবাপন্ন পণ্ডিতগণের স্বকপোল-কল্পিত অর্থ যে কেহ গ্রহণ করিবেন,— তাহ। কখনই মনে হয় না । যিনিই যাহা বলুম, ফলে দেখা যায়,–বর্ণ-ভেদ প্রথ বৈদিক কাল হইতেই এদেশে প্রচলিত আছে ; এবং ঐ প্রথা এ দেশের প্রকৃতির সহিত মজ্জাগত-ভাবে অবস্থিত । বেদ হইতেই যে অন্যান্ত শাস্ত্রের উৎপত্তি হইয়াছে, হিন্দুকে তাহা বুঝাইবার অবিভক হয় না ; অপরেও তাহ অস্বীকার করিতে পারেন না। যাহ। বেদামুগত—তাহাই শ্বাস্ত্র .৯ শাস্ত্র-বেদেরই অভিব্যক্তি মাত্র। বেদ - হৃদয়ের সামগ্ৰী ; বেদ-হৃদয়েই সৰ্ব্ব-শাস্ত্রের অধিষ্ঠিত ছিল । যতদূর প্রমাণ পাওয়া যায়, বেদ প্রথমে লিপিবদ্ধ হয় छन। নাই ; বৈদিক স্বত্ত-সমূহ তখন ঋষিগণের হৃদয়ে হৃদয়ে কণ্ঠে কণ্ঠে সংগ্রন্থিত ছিল। পিতা, পুত্রকে সে স্তোত্র কণ্ঠস্থ করাইতেন ; পুত্র, প্রপৌত্রকে সে মৰে। eeS DDDDDB BBB DD DD S BBB SLLLLS BBBBBBS ggDDDB BBBBBS TtDS রমেশচন্দ্র দত্ত মহাশয়ও ঐ শলে অতিশয় বলবান অর্থ গ্রহণ করেন। পঞ্চ পদের পূৰ্ব্বোক্তরূপ অর্গও বোধ হয়, রমেশ বাবুরই কল্পনা-প্রশ্বত । - |