পাতা:পৃথিবীর ইতিহাস - প্রথম খণ্ড (দুর্গাদাস লাহিড়ী).pdf/৭২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ভারতবর্ষ। : هوم গিয়া থাকেন, সকলই এখন সেই ভ্ৰাস্তির অমুসরণ করিয়া চলিয়াছেন। বুঝি বা সে ভ্রান্তি অপনোদনের আর সস্তাবনাও নাই! চতুর্দশ শতাব্দীর মধ্যভাগে, ভারতে মুসলমান-রাজত্বের অভু্যুদয়-কালে, মাধব বিদ্যারণ্য বা মাধবাচার্য্য, বিজয়-নগরের রাজা বুকার্য এবং হরিহরের মন্ত্রী ছিলেন ; সায়ণাচাৰ্য্য নাম উহার কেন হইল, তাহার কোনই প্রমাণ পাওয়া যায় না। পরস্তু, মতান্তরে বুঝা যায়,—তাহার বহু পূৰ্ব্বে বেদের ভাষ্যকার সায়ণাচাৰ্য্য ৰিপ্তমান ছিলেন এবং তাহারই অস্থি-কঙ্কালের উপর বেদের ভাস্থ্য প্রণয়ন করিয়া, মাধবাচাৰ্য্য সেই ভাষাকে সায়ণাচার্য্যের ভাস্থ্য-নামে প্রচার করিয়া গিয়াছেন। কৃষ্ণ যজুৰ্ব্বেদের ব্ৰাহ্মণের টীকাকার ‘সায়ণমাধব’ এবং শুক্ল যজুৰ্ব্বেদের ব্রাহ্মণের টীকাকার সায়ণাচাৰ্য্য' বলিয়। উল্লেখ আছে ; তাঙ্কাতে দুই টীকাকারকে দুই জন স্বতন্ত্র ব্যক্তি বলিয়া বিশ্বাস হয় । মাধবাচার্য্যের পাণ্ডিত্যে মুগ্ধ হইয়া সায়ণাচার্যোর সহিত র্তাহার তুলনাচ্ছলে, লোকে হয় তো সায়ণমাধব বলিয়া তাহার সম্বৰ্দ্ধনা করিত, এবং তাহা হইতেই হয় তো তিনি পরবৰ্ত্তি-কালে BBBBB BB BBBB BBBS BBBBB S BBB BB BBB BBBSSSBBBBS BDBBBB BBBB SBBB S BBBBS BBBB BB BBBB BBBBS BB BHDHHHHBB BBBB BB BBB BBB SSSSSS BBS BBS BBS BBBB BBBB BB BBS ব্যাখ্যার যে বহু বিপর্য্যয় সংঘটিত হইয়াছে, তাহাতে আমার কোনই সংশয় নাই । এখন যাহা বেদ বলিয়া পরিচিত, অথবা এখন যাহা বেদের ব্যাখ্যা বলিয়া প্রচারিত, তাহা যে বহুরূপে বিকৃত হইয় অাছে, অনেক স্থলেই তাহার পরিচয় পাওয়া যায় । বেদোক্ত সনাতন ধৰ্ম্মের সার-মৰ্ম্ম আমরা পুৰ্ব্বেই বিবৃত করিয়াছি। পাশ্চাত্যপণ্ডিত-গণ সে ধৰ্ম্মের কিরূপ পরিচয় দিয়া থাকেন, এক্ষণে সেই আভাস প্রদান করিতেছি । ...anana তাহারা বলেন,-“প্রকৃতি-পূজাই বৈদিক-ধৰ্ম্মের মূলভূত। আর্য্যঅধিকারী হিন্দুগণ যখনই প্রকৃতির যে বিভূতির বিকাশ দেখিয়াছেন, তখনই "ीि । उाशत्र लुभानमाग्न প্রবৃত্ত হইয়াছেন । অনন্ত-বিস্তৃত আকাশের বিশালত নির্ণয় করিতে না পারিয়া, তাহার। আকাশের পূজা করিয়াছেন। হুর্য্যের অত্যুজ্জ্বল জ্যোতির নিকট পৃথিবীর সকল জ্যোতিঃ পরাভূত দেখিয়া, তাহারা সৌর উপাসনায় ব্রতী হইয়াছেন। নৈশ-অন্ধ গরের ভীষণতার পর উষার মনোমোহিনী মূৰ্ত্তি দেখিয়া, তাহার উষার পদ-প্রান্তে মস্তক লুটা ইয়াছেন । এইরূপে, পঞ্চভূতাত্মক পৃথিবীর সকল সামগ্রীই তাহদের উপাস্ত-দেবতা মধ্যে পরিগণিত হইয়াছিল। তাই তাহারা, অসংখ্য নাম ও অসংখ্য গুণের আরোপ করিয়া, প্রকৃতির ঐশ্বৰ্য্যাদির পূজা করিতেন। এক আকাশকেই তাহারা কত-নামে কত-প্রকারে পূজা করিয়া গিয়াছেন ! "জ্য (জ্যোতিঃ) রূপে আকাশের পূজা-কল্পনা অতি প্রাচীন-কালে বিছমান ছিল। বহু প্রাচীন-জাতির পূজা-পদ্ধতির সহিত আৰ্য-হিন্দুগণের এই প্রথার সাপ্ত দেখা যায়। এই ‘দ্যু’ হইতেই গ্ৰীক-দিগের জিয়ল, জৰ্ম্মণ-দ্বিগের লিও, স্বাক্সন-দিগের তিউ এবং রোমান-দিগের ‘কু (জুপিটারের প্রথম শব্দাংশ ) প্রকৃতি উৎপন্ন হওয়া সম্ভবপর। আর্য্য-হিন্দুগণের বরুণ এবং মিত্র ক্ষেৰতাও-আকাশেরই সামান্তর মাত্র। র্তাহাঙ্গের বরুণ-দেবতা গ্রীক-দিগের ইউরেনাস"