পাতা:পৃথিবীর ইতিহাস - প্রথম খণ্ড (দুর্গাদাস লাহিড়ী).pdf/৭৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ব্রাহ্মণ, আরণ্যক, উপনিষৎ । । ৬৩ কুষ্টিত হন নাই । শতপথ ব্রাহ্মণে এবং ঐতরেয় ব্রাহ্মণে স্বটি-সম্বন্ধে এইরূপ আরও একটা উপাখ্যান আছে। সে উপাখ্যানের মৰ্ম্ম এই—“প্রজাপতি স্বষ্টিকৰ্ত্ত আপন কম্য উষ। BBBB BBB BB BBBBBB S BBBB BBBS L BBBBB BB BBBB BBBBB হইয় যে এই কল্পনার স্বষ্টি হইয়াছে তাহ সহজেই বুঝা যায়। ঋগ্বেদে আছে,—স্বৰ্য্য, উষার পশ্চাতে ধাবমান হইতেছেন । উষার পর স্বর্যের প্রখর রশ্মি বিস্তীর্ণ হয়, তাহাতে সেই অর্থ ই উপলব্ধি হইয়া থাকে। কিন্তু এই উপলক্ষে, কবি-কল্পনায়ু উষা-সুন্দরী বালিকা-রূপে এবং সূর্য্য স্থষ্টি-কৰ্ত্ত প্রজাপতি-রূপে পরিবর্ণিত হইয়া, কি বীভৎস উপাখ্যানেরই স্থষ্টি হইয়াছে ! বীভৎস কেবল আমরা বলিতেছি না ;–শঙ্করাচার্য্যের পূর্ববৰ্ত্তি-কালে যিনি বৌদ্ধ ধর্মের ঘোর বিরুদ্ধবাদী হইয়া হিন্দু-ধৰ্ম্মের প্রাধান্তরক্ষা করিয়াছিলেন, সেই কুমারিল ভট্টও এই কথা বলিয়া গিয়াছেন । তৈত্তিরীয় ব্রাহ্মণে এই স্বষ্টি-প্রণালী আর এক নূতন রূপ ধারণ করিয়া আছে। তাহার মতে,—“হুষ্টির প্রারম্ভে জল ভিন্ন অন্য পদার্থ কিছুই বিদ্যমান ছিল না ; জলের উপর কেবল একটা পদ্মপত্র ভাসমান ছিল । প্রজাপতি বরাহ-মূৰ্ত্তি পরিগ্রহ করিয়া সেই জলমধ্যে গমন করেন, এবং তাহ হইতে মৃত্তিকা উত্তোলন করিয়া চতুর্দিকে ছড়াইয়া দেন ; তখন, প্রস্তর-খণ্ডের সহিত সেই মৃত্তিকা-রশি সম্মিলিত হইয়া এই পৃথিবীর BB BD S BBBB BBBS BB BB BBB BB BBBB BBBB BBBS BB S তাহাতে আরও লিখিত আছে,—“স্থষ্টির পর, প্রজাপতি হইতে অসুর ও দেবতাগণ উদ্ভূত হন । তখন দেবাসুরের পরস্পরের প্রাধান্য লইয়। তাহদের ঘোর দ্বন্দ্বে পৃথিবী পদ্মপত্রের BB BBBB BBBS BBBS B BBBBB BB BB BB BB BBSBD আদিতে একমাত্র প্রজাপতি ব্ৰহ্মা বিরাজমান ছিলেন ; তিনি প্রথমে জীব স্থষ্টি করেন ; তৎপরে পক্ষা ও সরীসৃপ প্রভূতির স্বষ্টি হয় । কিন্তু আহাৰ্য্যাভাবে তাহারা সকলেই পঞ্চস্তু প্রাপ্ত হওয়ায়, জীব-জন্তুর স্তনে প্রজাপতি দুগ্ধ-সঞ্চার করেন।” কৌষীতকী এবং শতপথ ব্রাহ্মণে শিব এবং রুদ্রের প্রাধান্ত কীৰ্ত্তিত হয় । দক্ষ পাৰ্ব্বতীর পূজা-প্রসঙ্গ শতপথ ব্রাহ্মণেই প্রথম দেখিতে পাওয়া যায় । অসুরদিগকে পরাজয় করিয়া দেবতাগণের সমগ্র পৃথিবী অধিকারের বিষয়,—ঐতরেয় এবং শতপথ ব্রাহ্মণে বর্ণিত আছে। শতপথ ব্রাহ্মণে প্রথমতঃ বিষ্ণুর প্রাধান্ত পরিকীৰ্ত্তিত হয়। ইন্দ্র কর্তৃক বিষ্ণুর মস্তকচ্ছেদ হইয়াছিল বলিয়া, শতপথ ব্ৰাহ্মণে একটা উপাখ্যান আছে। সামবেদের ‘তান্দ্য ব্রাহ্মণে ব্রাত্য-ব্রাহ্মণ অর্থাৎ ব্রাহ্মণ হইয়। র্যাহারা ব্রাহ্মণ-বৃত্তি পরিত্যাগ-পূর্বক অস্ত বৃত্তি গ্রহণ করিয়াছেন, তাহাদের বিষয় বর্ণিত আছে। এই ব্রাত্যগণ ব্রাহ্মণোচিত কৰ্ম্ম পরিত্যাগ করিয়া বৃত্ত্যস্তর গ্রহণ করায়, ব্রাহ্মণত্ব-ভ্রষ্ট হন নাই,—তান্দ্য ব্রাহ্মণে তাহারই পরিচয় পাওয়া যায় যজ্ঞ-মাহাত্ম্য এবং যজ্ঞের প্রণালী বর্ণনা ব্যপদেশে, ব্রাহ্মণ-ভাগে আরও নানা আখ্যায়িকার অবতারণা আছে । ঐতরেয় ব্রাহ্মণে, হরিশ্চন্দ্র ও শুনঃশেপের প্রসঙ্গে নরবলির উল্লেখ প্রথম দৃষ্ট । হয়। তাহাতে লিখিত আছে,-“রাজা হরিশ্চন্দ্র আপনার পুত্র রোহিতকে যজ্ঞে বলি দিতে BBBBS BB BBB D BBBDDS DBB BBBBS DDBBB BBDD DDD BBS