পাতা:পোকা-মাকড়.pdf/৩৩৮

এই পাতাটিকে বৈধকরণ করা হয়েছে। পাতাটিতে কোনো প্রকার ভুল পেলে তা ঠিক করুন বা জানান।
৩২০
পোকা-মাকড়

দিতে ছাড়িবে না। বিদেশী মানুষকে একা পাইলেই আফ্রিকার অসভ্য লোকেরা তাহাদিগকে খাইয়া ফেলিত। তোমরা হয় ত অনেক বইয়ে এই-রকম মানুষ-খেগো লোকের গল্প শুনিয়াছ। এখন আর মানুষকে মানুষ খাইতে দেখা যায় না।; কিন্তু ইতর প্রাণীদের মধ্যে এই স্বভাব আজও আছে।

 এখানে আর এক-রকম ফড়িঙের ছবি দিলাম। তোমরা নিশ্চয়ই এই রকম পোকা বাগানের শুক্‌নো ঘাসের চিত্র ৬৮
ঘাসের মত ফড়িং
মধ্যে দেখিয়াছ। দেখিলে মনে হয় যেন, ইহারা এক একটি শুক্‌নো ঘাস। কিন্তু ভালো করিয়া দেখিলে ইহাদিগকে ফড়িং ভিন্ন আর কিছুই মনে হইবে না। শুক্‌নো ঘাসের রঙের সঙ্গে নিজের গায়ের রঙ্ মিলাইয়া ঠিক ঘাসের মত চেহারায় ইহারা মাঠে পড়িয়া থাকে। এই জন্য পাখী ব্যাঙ প্রভৃতি শত্রুরা ইহাদিগকে প্রাণী বলিয়া চিনিতে পারে না। এই ফড়িংরাও ছোট পোকা-মাকড় ধরিয়া খায়।

 গোবরে পোকা ও মাছির বাচ্চারা নোংরা জিনিস খাইয়া আমাদের অনেক উপকার করে। কিন্তু ফড়িদের কাছে আমরা সে-রকম কোনো উপকারই পাই না। অপকার করাই ইহাদের স্বভাব। বাগানের গাছপালা ইহাদের জ্বালায় নষ্ট হইয়া যায়। হয় ত তোমরা