পাতা:প্রকৃতির প্রতিশোধ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


>域デ יקד প্রকৃতির প্রতিশোধ কঠিন মাটিতে শুয়ে শিরে হাত দিয়ে ঘুমের মায়ের কোলে রয়েছে আরামে । যেন এই বালিকার ছোটাে হাত দুটি । হৃদয়েরে অতি ধীরে করিছে বেষ্টন। સ્વ (t পালা, পালা, এইবেলা, পালা এইবেলা ! ঘুমিয়েছে, এইবেল ওঠ রে সন্ন্যাসী ! পলায়ন ! পলায়ন ! ছিছি পলায়ন ! অবহেলা করি আমি বিশ্বজগতেরে, বালিকা দেখিয়া শেষে পলাইতে হবে ! > 0 0 কখনো না, পালাব না, রহিব এমনি । i প্রকৃতি, এই কি তোর মায়াফাদ যত । এ উর্ণাজালে তো শুধু পতঙ্গেরা পড়ে। চমকিয়া জাগিয়া বালিক। প্রভু, চলে গেছ তুমি ! গেছ কি ফেলিয়া ! সন্ন্যাসী । কেন যাব ! কার ভয়ে পলাইব আমি ! > 0 (? ছায়ার মতন তোরে রাখিব কাছেতে, তবুও রহিব আমি দূর হতে দূরে । বালিক। ওই শোনো, রাজপথে মহা কোলাহল । সন্ন্যাসী । কোলাহল-মাঝে আমি রচিব নির্জন, নগরে পথের মাঝে তপোবন মোর, > * 0. পাতিব প্রলয়াসন সৃষ্টির হৃদয়ে । একদল পুরুষ ও স্ত্রীলোকের প্রবেশ কোনো পুরুষের প্রতি প্রথম স্ত্রী। যাও, যাও, আর মুখের ভালোবাসা দেখাতে । হবে না !