পাতা:প্রকৃতির প্রতিশোধ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


চতুর্থ দৃপ্ত X & প্রথম পুরুষ। কেন, কী অপরাধ করলুম ? স্ত্রী। জানি গো জানি, তোমরা পুরুষ-মানুষ, তোমাদের ** পাষাণ প্রাণ । প্রথম পুরুষ । আচ্ছা, আমাদের পাষাণ প্রাণই যদি হবে, তবে ফুলশরকে কেন ডরাই ? অস্থ্য সকলের প্রতি কী বল ভাই? যদি পাষাণই হবে তবে কি আর ফুলশরের অঁাচড় লাগে ! > रे 0 দ্বিতীয় পুরুষ । বাহবা, বেশ বলেছ। তৃতীয় পুরুষ। শাবাশ খুড়ো, শাবাশ ! স্ত্রীলোকের প্রতি চতুর্থ পুরুষ। কেমন ! এখন জবাব দাও। প্রথম পুরুষ । না, তাই বলছি। তোমরা তো দশজন আছ, তোমরাই বিচার করে বলো-না কেন, যদি পাষাণ প্রাণই হবে, ১২৫ তবে— পঞ্চম পুরুষ। ঠিক কথা বলেছ। তুমি না হলে আমাদের মুখরক্ষা করত কে! ষষ্ঠ পুরুষ। খুড়ে এক-একটা কথা বড়ো সরেশ বলে। সপ্তম পুরুষ । হাঃ, আমিও অমন বলতে পারতুম। ও কি ১৩০ আর নিজে বলে ? কোন এক পুথি থেকে পড়ে বলছে। আসিয়া অষ্টম পুরুষ। কী হে, কী কথাটা হচ্ছে! কী কথাটা হচ্ছে! প্রথম পুরুষ। শোনে, তোমায় বুঝিয়ে বলি। এই উনি বলছিলেন, তোমরা পুরুষ-মানুষ, তোমাদের পাষাণ প্রাণ। তাইতে আমি বললেম, আচ্ছা, যদি পাষাণ প্রাণই হবে, তবে ফুলশরের ১ ৩৫ আঁচড় লাগবে কী করে ? বুঝেছ ভাবখান ? অর্থাৎ যদি– অষ্টম পুরুষ। আমাকে আর বোঝাতে হবে না দাদা ! আমি