পাতা:প্রকৃতির প্রতিশোধ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৪৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সন্ন্যাসী । বালিকা । नज्ञानी | অষ্টম দৃপ্ত গুহাদ্বারে সন্ন্যাসীর প্রবেশ অায় তোরা, কাছে আয়, কে আসিবি আয়— সকলি সুন্দর হেরি এ বিশ্বজগতে । আমিও কি কাছে যাব ! ডাকে। পিতা, ডাকো ! কী দোষ করিয়াছিনু বলে বুঝাইয়া ! কিছু ভয় করিস নে, কোনো দোষ নেই— (? তোরে ফেলে আর কভু যাব না বালিকা ! গুহার কাছে গিয়া এ কী অন্ধকার হেথা ! এ কী বদ্ধ গুহা ! আয় বাছা, মোরা দোহে বাহিরেতে যাই, চাদের আলোতে গিয়ে বসি একবার । বাহিরে আসিয়া আহা এ কী সুমধুর! এ কী শান্তিসুধা! * () কী আরামে গাছগুলি রয়েছে দাড়ায়ে ! মনে সাধ যায় ওই তরু হয়ে গিয়ে চন্দ্রালোকে দাড়াইয়া স্তব্ধ হয়ে থাকি । ধীরে ধীরে কত কী যে মনে আসিতেছে । অতীতের অতি দূর ফুলবন হতে > (? বায়ু যেন বহে আসে নিশ্বাসের মতো, সাথে লয়ে পল্লবের মর্মরবিলাপ, মিলিত জড়িত শত পুষ্পগন্ধরাশি। এমনি জোছনা-রাত্রে কোনখানে ছিনু, কারা যেন চারি পাশে বসে ছিল মোর ! ९ 0 তোরি মতো দু-একটি মধুমাখা মুখ