পাতা:প্রকৃতির প্রতিশোধ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৫৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


একাদশ দৃশ্য পথে সন্ন্যাসী সন্ন্যাসী। এসেছি অনেক দূরে— আর ভয় নাই। পায়েতে জড়ালো লতা, ছিন্ন হয়ে গেল । সেই মুখ বার বার জাগিতেছে মনে । সে যেন করুণ মুখে মনের দুয়ারে বসে বসে র্কাদিতেছে, ডাকিতেছে সদা । 6. যতই রাখিতে চাই তুয়ার রুধিয়া— কিছুতেই যাবে না সে, ফিরে ফিরে আসে, একটু মনের মাঝে স্থান পেতে চায়। নিৰ্ভয়ে গা ঢেলে দিয়ে সংসারের স্রোতে এরা সবে কী আরামে চলেছে ভাসিয়া । > (} যে যাহার কাজ করে, গৃহে ফিরে যায়, ছোটো ছোটো সুখে দুঃখে দিন যায় কেটে । আমি কেন দিবানিশি প্রাণপণ করে যুঝিতেছি সংসারের স্রোত-প্রতিকূলে ! পেরেছি কি এক তিল অগ্রসর হতে ? > ? বিপরীতে মুখ শুধু ফিরাইয়া আছি, উজানে যেতেছি বলে হইতেছে ভ্ৰম, পশ্চাতে স্রোতের টানে চলেছি ভাসিয়া— সবাই চলেছে যেথা ছুটেছি সেথাই ! দরিদ্র বালিকার প্রবেশ বালিকা। ওগো, দয়া করো মোরে, আমি অনাথিনী । 《)