পাতা:প্রকৃতির প্রতিশোধ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৫৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


একাদশ দৃশ্য বসে বসে কী দেখি এ, এই কি রে স্থখ ! লঘু সুখ লঘু আশা বাহিয়া বাহিয়া সংসারসাগরে এরা ভাসিয়া বেড়ায়, তরঙ্গের মৃত্য-সনে নৃত্য করিতেছে। ফু দিনেতে জীর্ণ হবে এ ক্ষুদ্র তরণী, আশ্রয়ের সাথে কোথা মজিবে পাথারে । আমি তো পেয়েছি কুল অটল পর্বতে, নিত্য যাহা তারি মাঝে করিতেছি বাস । আবার কেন রে হোথা সন্তরণ-সাধ । ওই অশ্রুসাগরের তরঙ্গহিল্লোলে আবার কি দিবানিশি উঠিবি পড়িবি ! চক্ষু মুদিয়া হৃদয় রে, শান্ত হও, যাক সব দূরে— যাক দূরে, যাক চলে মায়ামরীচিকা । এসে এসে অন্ধকার, প্রলয়সমুদ্রে তপ্ত দীপ্ত দগ্ধ প্রাণ দাও ডুবাইয়া । অকুল স্তব্ধতা এসো চারি দিকে ঘিরে, কোলাহলে কর্ণ মোর হয়েছে বধির । গেল, সব ডুবে গেল, হইল বিলীন, হৃদয়ের অগ্নিজালা সব নিবে গেল ! বালিকার প্রবেশ বালিকা ৷ পিতা, পিতা, কোথা তুমি পিতা ! চমকিয়া সন্ন্যাসী । কে রে তুই ! চিনি নে, চিনি নে তোরে, কোথা হতে এলি ! বালিকা । আমি, পিতা, চাও পিতা, দেখো পিতা, আমি । সন্ন্যাসী । চিনি নে, চিনি নে তোরে, ফিরে যা, ফিরে যা ! 邻岁 & O q & b”0 ۶) یپt