পাতা:প্রকৃতির প্রতিশোধ - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৬২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Y$ 8 বালিকা । বালিকা । সন্ন্যাসী । প্রকৃতির প্রতিশোধ ক্রমেই তুর্বল দেহ, শ্রান্ত ভগ্ন পাখা, ক্রমেই আসিছে নুয়ে অভ্ৰভেদী মাথা । ধুলায়, মৃত্যুর মাঝে লুটাইতে হবে। লৌহপিঞ্জরের মাঝে বসিয়া বসিয়া আকাশের পানে চেয়ে ফেলিব নিশ্বাস । তবে কি রে আর কিছু নাইকো উপায় ! দেখে পিতা, লতাটিতে কুঁড়ি ধরিয়াছে, প্রভাতের আলো পেলে উঠিবে ফুটিয়া। সন্ন্যাসী সবেগে গিয়া লতা ছিড়িয়া ফেলিল ওকি হল । ওকি হল! কী করিলে পিতা ! রাক্ষসী, পিশাচী, ওরে, তুই মায়াবিনী— দূর হ, এখনি তুই যা রে দূর হয়ে । এত বিষ ছিল তোর ওইটুকু-মাঝে অনন্ত জীবন মোর ধ্বংস করে দিলি ! ওরে, তোরে চিনিয়াছি, আজ চিনিয়াছি— প্রকৃতির গুপ্তচর তুই রে রাক্ষসী, গলায় বাধিয়া দিলি লোহার শৃঙ্খল ! তুই রে আলেয়া-আলো, তুই মরীচিকা— কোন পিপাসার মাঝে, তুর্ভিক্ষের মাঝে, কোন মরুভূমি-মাঝে, শ্মশানের পথে, কোন মরণের মুখে যেতেছিস নিয়ে ! ওই-যে দেখি রে তোর নিদারুণ হাসি, প্রকৃতির হৃদিহীন উপহাস তুই— শৃঙ্খলেতে বেঁধে ফেলে পরাজিত মোরে হা হা করে হাসিতেছে প্রকৃতি রাক্ষসী ! २ (! ○ 0 \උ ඌ 8 () 3 &