পাতা:প্রবন্ধ পুস্তক-বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu/৭৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


やや সংখ্যদর্শন । মীমাংসার উপর নির্ভর করে । হিন্দুগণ সকলেরই কি স্বধৰ্ম্মে থাকা উচিত ? না সকলেরই স্বধৰ্ম্ম ত্যাগ করা উচিত? অর্থাৎ আমরা বেদ মানিব? না মানিব না ? যদি মানি তবে কেন মানিব ? আর একবার এই প্রশ্ন উথাপিত হইয়াছিল। যখন ধৰ্ম্মশাস্ত্রের অত্যাচারে পীড়িত হইয়া ভারতবর্ষ ত্ৰাহি ত্ৰাহি করিয়া ডাকিতেছিল, তখন শাক্যসিংহ বুদ্ধদেব বলিয়াছিলেন, “তোমরা বেদ মানিবে কেন ? বেদ মানিও না।” এই কথা শুনিয়া বেদবিং, বেদ ভক্ত, দার্শনিক মণ্ডলী এই প্রশ্নের উত্তর দিয়াছিলেন । জৈমিনি, বাদ রায়ণ, গেীতম, কণাদ, কপিল র্যাহার যেমন ধারণ তিনি তেমনি উত্তর দিয়াছিলেন । তাহাদিগের পূৰ্ব্বে বেদে, কল্পস্থত্রে, স্মৃতি গ্রন্থে বা কোথাও এ প্রশ্ন উথাপিত বা নিবারিত হয় নাই। তাঙ্গর কারণ তৎপূৰ্ব্বে কেহ কখন বেদের প্রতি সংশয় করে নাই। প্রশ্ন না হইলে কেহ উত্তর দেয় না। সংশয় না হইলে কেহ প্রশ্ন করে না । অতএব প্রাচীন দর্শন শাস্ত্রে এই প্রশ্নের উত্তর থাকাতে দুইটি কথা জানা যাই. তেছে। প্রথম, আজি কালি ইংরেজি শিক্ষার দোষেই লোকে বেদের অলঙ্ঘনীয়তার প্রতি নুতন সন্দেহ করিতেছে, এমত নছে । এ সন্দেহ অনেক দিন হুইতে । প্রাচীন দার্শনিকদিগের পরে শঙ্করাচার্যা, মাধবাচার্ষা, সায়নাচার্য, প্রভৃতি নবোরা ও ঐ প্রশ্নের উত্তর দিবার জন্য ব্যস্ত হুইরাছিলেন। দ্বিতীয়, দেখা যায় যে এ প্রশ্ন বৌদ্ধের প্রথম উথাপিত কয়েন, এবং প্রাচীন দার্শনিকের প্রথম তাছার উত্তর দান করেন। অতএব বৌদ্ধধৰ্ম্ম ও দর্শনশাস্ত্রের উৎপত্তি সমকালিক বলা মাইতে পারে। বেদ মানিব কেন? এই প্রশ্নের বিচার সমরে মহারথী মীমাংসক জৈমিনি। র্তাহার প্রতিদ্বন্দ্বী নৈয়ায়িক গৌতম। নৈয়